Dhaka ০৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ; অকৃতকার্য প্রায় ৬ লাখ

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজধানীর সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সে হিসাবে অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।

গত বছরের তুলনায় এবার ফলাফলে উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে। ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশীয় পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। গত বছর ৬৯ হাজার ৯৭ জন জিপিএ-৫ পেলেও এবার পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। সে হিসাবে সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। এসব বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এ বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭১৪ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে, ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন।

অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে চট্টগ্রামে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, সিলেটে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, কুমিল্লায় ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, দিনাজপুরে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং যশোরে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায়ও ঢাকা বোর্ড শীর্ষে। রাজশাহী বোর্ডে ৪ হাজার ৫২০ জন, যশোরে ৩ হাজার ২২৮ জন, দিনাজপুরে ২ হাজার ৯৫৩ জন, চট্টগ্রামে ২ হাজার ৯২১ জন, ময়মনসিংহে ২ হাজার ১৩৭ জন, কুমিল্লায় ১ হাজার ৩১৩ জন এবং সিলেটে ১ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

লিঙ্গভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের হারে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছেন ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। তাঁদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ।

অন্যদিকে ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। তাঁদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রীরা ছাত্রদের চেয়ে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় ছাত্ররা সামান্য এগিয়ে। এবার ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি, ভোকেশনাল ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স) পরীক্ষায় পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী।

এবারের ফলাফলে শতভাগ পাস করেছে দেশের ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিপরীতে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। গত বছরের তুলনায় শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার ২ হাজার ৭৬০টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। বিদেশের আটটি কেন্দ্রে অংশ নেওয়া ২৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০৯ জন। এসব কেন্দ্রে পাসের হার ৯০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়। বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর সেগুলো পরবর্তী সময়ে অনুষ্ঠিত হয়।

ফল পুনর্নিরীক্ষণে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করা হবে।

ফলাফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ; অকৃতকার্য প্রায় ৬ লাখ

এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ; অকৃতকার্য প্রায় ৬ লাখ

Update Time : ১১:৪১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। অন্যদিকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজধানীর সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সে হিসাবে অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।

গত বছরের তুলনায় এবার ফলাফলে উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে। ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশীয় পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। গত বছর ৬৯ হাজার ৯৭ জন জিপিএ-৫ পেলেও এবার পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। সে হিসাবে সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। এসব বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এ বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭১৪ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে, ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন।

অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে চট্টগ্রামে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, সিলেটে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, কুমিল্লায় ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, দিনাজপুরে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, রাজশাহীতে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং যশোরে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায়ও ঢাকা বোর্ড শীর্ষে। রাজশাহী বোর্ডে ৪ হাজার ৫২০ জন, যশোরে ৩ হাজার ২২৮ জন, দিনাজপুরে ২ হাজার ৯৫৩ জন, চট্টগ্রামে ২ হাজার ৯২১ জন, ময়মনসিংহে ২ হাজার ১৩৭ জন, কুমিল্লায় ১ হাজার ৩১৩ জন এবং সিলেটে ১ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

লিঙ্গভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের হারে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছেন ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। তাঁদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ।

অন্যদিকে ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। তাঁদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রীরা ছাত্রদের চেয়ে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় ছাত্ররা সামান্য এগিয়ে। এবার ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি, ভোকেশনাল ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স) পরীক্ষায় পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী।

এবারের ফলাফলে শতভাগ পাস করেছে দেশের ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিপরীতে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। গত বছরের তুলনায় শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার ২ হাজার ৭৬০টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। বিদেশের আটটি কেন্দ্রে অংশ নেওয়া ২৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০৯ জন। এসব কেন্দ্রে পাসের হার ৯০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়। বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর সেগুলো পরবর্তী সময়ে অনুষ্ঠিত হয়।

ফল পুনর্নিরীক্ষণে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করা হবে।

ফলাফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারছেন।