Dhaka ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রনি পাঠান ও তার সহযোগী ২০০০ পিস ইয়াবাসহ ডিবির কাছে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক -দৈনিক প্রান্তিক| ২৭ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রনি পাঠান (২৫) ও তাঁর এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার অপর ব্যক্তি হলেন নয়ন মিয়া (২৫)। তিনি রনি পাঠানের বন্ধু বলে জানা গেছে। রনি পাঠান শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি এলাকার বাসিন্দা।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় রনি পাঠান ও নয়ন মিয়াকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের কাছ থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসমত উল্লাহ।

ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে ডিবির বক্তব্য

গ্রেপ্তার রনি পাঠানের রাজনৈতিক পরিচয় ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবির পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসমত উল্লাহ বলেন, “রনি পাঠান ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত—এটা জানা গেছে।”

রনি পাঠান গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁকে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগের বাইরে অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হাসমত উল্লাহ বলেন, “রনি পাঠান এবং তাঁর সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মাদকসহ। অন্য কোনো মামলার তথ্য আমার জানা নেই।”

ডিবি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারই তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশের তাৎক্ষণিক আইনগত পদক্ষেপের কারণ। অন্য কোনো মামলায় রনি পাঠানকে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে তাঁর কাছে তথ্য নেই।

দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় মাদক সংগ্রহের উৎস, সরবরাহব্যবস্থা এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্তের বিষয়। তবে মাদক সরবরাহের কোনো বৃহত্তর চক্রের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে পুলিশ এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

জেলা ছাত্রলীগের একজন সাংগঠনিক সম্পাদকের মাদকসহ গ্রেপ্তারের ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কোরআনের বিধান বাস্তবায়নে সংসদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আমির হামজা, টানলেন সোলায়মান (আ.) ও রানি বিলকিসের ঘটনা

গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রনি পাঠান ও তার সহযোগী ২০০০ পিস ইয়াবাসহ ডিবির কাছে গ্রেপ্তার

Update Time : ১০:১৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক -দৈনিক প্রান্তিক| ২৭ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুরে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রনি পাঠান (২৫) ও তাঁর এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার অপর ব্যক্তি হলেন নয়ন মিয়া (২৫)। তিনি রনি পাঠানের বন্ধু বলে জানা গেছে। রনি পাঠান শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি এলাকার বাসিন্দা।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় রনি পাঠান ও নয়ন মিয়াকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের কাছ থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসমত উল্লাহ।

ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে ডিবির বক্তব্য

গ্রেপ্তার রনি পাঠানের রাজনৈতিক পরিচয় ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবির পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসমত উল্লাহ বলেন, “রনি পাঠান ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত—এটা জানা গেছে।”

রনি পাঠান গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁকে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগের বাইরে অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হাসমত উল্লাহ বলেন, “রনি পাঠান এবং তাঁর সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মাদকসহ। অন্য কোনো মামলার তথ্য আমার জানা নেই।”

ডিবি কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারই তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশের তাৎক্ষণিক আইনগত পদক্ষেপের কারণ। অন্য কোনো মামলায় রনি পাঠানকে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে তাঁর কাছে তথ্য নেই।

দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় মাদক সংগ্রহের উৎস, সরবরাহব্যবস্থা এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্তের বিষয়। তবে মাদক সরবরাহের কোনো বৃহত্তর চক্রের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে পুলিশ এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

জেলা ছাত্রলীগের একজন সাংগঠনিক সম্পাদকের মাদকসহ গ্রেপ্তারের ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।