Dhaka ০৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯
  • ৫৪১ Time View

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন তৈরি করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ। পরীক্ষার পর তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার কাছে (DCGI)।

জানা গেছে, একবার এই কনট্রাসেপ্টিভ ইনজেকশন নিলে প্রভাব থাকবে ১৩ বছর। এরপরই চলে যাবে এর প্রভাব। সার্জিক্যাল ভ্যাসেক্টমির বিকল্প হিসেবেই ব্যবহার করা হবে এই ইনজেকশন।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের সিনিয়র বিজ্ঞানী ডা. আর এস শর্মা জানিয়েছেন, ‘প্রডাক্ট তৈরি হয়েছে। ড্রাগস কনট্রোলারের থেকে অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় আমরা। ট্রায়ালও হয়েছে। এজন্য ৩০৩ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। ৯৭.৩ শতাংশ সাকসেস রেট পেয়েছি। দেখা দেয়নি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এ প্রডাক্টকে নিশ্চিন্তে বিশ্বের প্রথম পুরুষ কনট্রাসেপ্টিভ বলা যেতে পারে।’

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক নিয়ে গবেষণা করছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরাও। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো সাফল্য পাননি।

ইউকের ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে লেখা হয়েছে, ২০১৬ সালে পুরুষদের কনট্রাসেপ্টিভের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তা মাঝ পথেই বন্ধ করা হয় এবং বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

ভারতের তৈরি এই কনট্রাসেপ্টিভ একধরনের পলিমার, যা টেসটিকিলসের কাছে শুক্রাণু টিউবের মধ্যে ইনজেক্ট করতে হবে। তবে এজন্য লোকাল অ্যানাস্থেশিয়ার প্রয়োজন হবে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই পলিমারটি সত্তর দশকে প্রথম তৈরি করেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক এসকে গুহ। ১৯৮৪ সাল থেকে এর ওপর বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষণা চালানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ; অকৃতকার্য প্রায় ৬ লাখ

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন!

Update Time : ০৭:৩৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন তৈরি করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ। পরীক্ষার পর তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার কাছে (DCGI)।

জানা গেছে, একবার এই কনট্রাসেপ্টিভ ইনজেকশন নিলে প্রভাব থাকবে ১৩ বছর। এরপরই চলে যাবে এর প্রভাব। সার্জিক্যাল ভ্যাসেক্টমির বিকল্প হিসেবেই ব্যবহার করা হবে এই ইনজেকশন।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের সিনিয়র বিজ্ঞানী ডা. আর এস শর্মা জানিয়েছেন, ‘প্রডাক্ট তৈরি হয়েছে। ড্রাগস কনট্রোলারের থেকে অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় আমরা। ট্রায়ালও হয়েছে। এজন্য ৩০৩ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। ৯৭.৩ শতাংশ সাকসেস রেট পেয়েছি। দেখা দেয়নি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এ প্রডাক্টকে নিশ্চিন্তে বিশ্বের প্রথম পুরুষ কনট্রাসেপ্টিভ বলা যেতে পারে।’

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক নিয়ে গবেষণা করছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরাও। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো সাফল্য পাননি।

ইউকের ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে লেখা হয়েছে, ২০১৬ সালে পুরুষদের কনট্রাসেপ্টিভের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তা মাঝ পথেই বন্ধ করা হয় এবং বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

ভারতের তৈরি এই কনট্রাসেপ্টিভ একধরনের পলিমার, যা টেসটিকিলসের কাছে শুক্রাণু টিউবের মধ্যে ইনজেক্ট করতে হবে। তবে এজন্য লোকাল অ্যানাস্থেশিয়ার প্রয়োজন হবে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই পলিমারটি সত্তর দশকে প্রথম তৈরি করেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক এসকে গুহ। ১৯৮৪ সাল থেকে এর ওপর বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষণা চালানো হয়েছে।