Dhaka ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বে চলতি বছরেও জ্বালানি খাতে নেতৃত্ব দেবে চীন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ জানুয়ারী ২০২২
  • ১৯১ Time View

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে শীর্ষস্থান দখলের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বন্ধ ও অত্যধিক কয়লানির্ভরতা সত্ত্বেও এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশা প্রকাশ করেছে দেশটি। যদিও চলতি বছরেও এসব প্রতিবন্ধকতা অনেকটা অপরিবর্তিত থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

গত দুই বছরে বিশ্বব্যাপী শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখেছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত। নতুন প্রজন্মের এ জ্বালানি উৎস থেকে ২০২০ সালে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২৮০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ৪৫ শতাংশেরও বেশি। ১৯৯৯ সালের পর থেকে এটি বছরভিত্তিক হিসেবে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির দৃশ্য। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) তথ্যমতে এমনটা জানা যায়।

সদ্যসমাপ্ত বছরের নভেম্বরে গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে (কপ২৬) এ খাতের জন্য আরো শক্তিশালী নীতিমালা ও জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অধিকতর উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়। এ অনুযায়ী ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা ৬০ শতাংশের বেশি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা।

আইইএর তথ্যমতে, ব্যতিক্রমভাবে উচ্চ ক্ষমতার সংযোজন ২০২২ সালে অত্যন্ত স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। এ সময়ে নতুন সংযোজিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর ৯০ শতাংশই নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

চীনের সরকারি নীতিমালা অনুসারে ২০৬০ সালের মধ্যে দেশটির মোট ব্যবহূত জ্বালানির ৮০ শতাংশ আসবে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎস থেকে। ২০৩০ সালের মধ্যে সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ১ হাজার ২০০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকল্পনা করছে দেশটি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গাজীপুরে শ্রমিক অবরোধে আওয়ামী ছায়া; আবারও বন্ধ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

বিশ্বে চলতি বছরেও জ্বালানি খাতে নেতৃত্ব দেবে চীন

Update Time : ১০:৪৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ জানুয়ারী ২০২২

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে শীর্ষস্থান দখলের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বন্ধ ও অত্যধিক কয়লানির্ভরতা সত্ত্বেও এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশা প্রকাশ করেছে দেশটি। যদিও চলতি বছরেও এসব প্রতিবন্ধকতা অনেকটা অপরিবর্তিত থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

গত দুই বছরে বিশ্বব্যাপী শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখেছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত। নতুন প্রজন্মের এ জ্বালানি উৎস থেকে ২০২০ সালে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২৮০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ৪৫ শতাংশেরও বেশি। ১৯৯৯ সালের পর থেকে এটি বছরভিত্তিক হিসেবে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির দৃশ্য। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) তথ্যমতে এমনটা জানা যায়।

সদ্যসমাপ্ত বছরের নভেম্বরে গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে (কপ২৬) এ খাতের জন্য আরো শক্তিশালী নীতিমালা ও জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অধিকতর উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়। এ অনুযায়ী ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা ৬০ শতাংশের বেশি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা।

আইইএর তথ্যমতে, ব্যতিক্রমভাবে উচ্চ ক্ষমতার সংযোজন ২০২২ সালে অত্যন্ত স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। এ সময়ে নতুন সংযোজিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর ৯০ শতাংশই নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

চীনের সরকারি নীতিমালা অনুসারে ২০৬০ সালের মধ্যে দেশটির মোট ব্যবহূত জ্বালানির ৮০ শতাংশ আসবে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎস থেকে। ২০৩০ সালের মধ্যে সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ১ হাজার ২০০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিকল্পনা করছে দেশটি।