প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও সরকারের জবাবদিহি দাবি
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনকালে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ দলের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার লোক কল্যাণ মার্গে (৭, লোক কল্যাণ মার্গ) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
কংগ্রেসের এই বিক্ষোভের মূল দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং সাম্প্রতিক শিক্ষার্থী আন্দোলনে পুলিশের বলপ্রয়োগের ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা। দলটির অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার সংসদেও কোনো জবাব দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে সড়কে বসে অবস্থান নেন এবং সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। একপর্যায়ে দিল্লি পুলিশ নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা, মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ অন্যান্য বিরোধী নেতাকে পুলিশ বাসে তুলে ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।
আটকের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে জবাব চাইতেই তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে পদযাত্রা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার এ ঘটনায় কোনো দায় স্বীকার করতে চায় না এবং সংসদেও এ বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, এর আগের দিন রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থী ও তরুণদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জেরেই বিরোধী দল কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচির ডাক দেয়। আন্দোলনকারীরা শিক্ষাব্যবস্থার অনিয়ম, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে টানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ডেক্স-দৈনিক প্রান্তিক। 

























