Dhaka ১১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অযোক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করুন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১
  • ৪৩১ Time View

প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে কোন না কোন দ্রব্যের দাম। কখনো সয়াবিন তেলতো কখনো ডিজেল। কখনো পেঁয়াজতো কখনো আলু। দ্রব্যমূলের এমন উর্ধ্বগতিতে মানুষের টিকে থাকা মুশকিল হয়ে উঠছে।

সাব্বির সাহেব নামে একজন প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করেন। করোনার আগে অর্থাত অন্ত আরো দুই বছর আগে তার বেতন ছিলো বিশ হাজার টাকা। তখন তিনি চাউলের বস্তা কিনতেন ২৪শ টাকা, পেয়াজ ২৫ টাকা, আলু ১২ টাকা, ডাল ৬০ টাকা। আর বর্তমানে তাকে একই চাল কিনতে হচ্ছে ৩৬শ টাকা, পেয়াজ ৮০ টাকা, আলু ২৫টাকা, ডাল ১২০ টাকা। দেখা যাচ্ছে তার বাজারের খরচ দ্বিগুনেরও বেশি হয়ে গেছে।

একই ভাবে বিদ্যুত, গ্যাস, ময়লা বিলসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি খরচাও মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এসব বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে অনেক আন্দোলন সংগ্রাম দেখা গেলেও এখন সেটি দেখা যায় না। মানুষের আয় বেড়েছে ঠিক তবে কাদের? যাদের আয় বেড়েছে তারা হয়তো বাজারে গিয়ে এসব কিনে খেতেও হয় না। চলে আসে দেশের বাইরে থেকে।

সর্বশেষ ডিজেল ও ক্যারোসিনের দাম বৃদ্ধি করা হলো আন্তর্জাতিক বাজারে কথা বলে। যেগুলো না করলেই নয় তা অবশ্যই সরকার করবে। দেশের মানুষও সেটিকে স্বাগত জানাবে। তবে যেসব পণ্যের দাম বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বাড়ছে সেগুলো সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নয়তো বাজার আরো অস্থির হয়ে উঠবে।

সময় থাকতে অযোক্তিক বৃদ্ধিকৃত পণ্যের দাম কমাতে হবে এবং অযোক্তিক র্মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করতে হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

অযোক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করুন

Update Time : ০৪:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১

প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে কোন না কোন দ্রব্যের দাম। কখনো সয়াবিন তেলতো কখনো ডিজেল। কখনো পেঁয়াজতো কখনো আলু। দ্রব্যমূলের এমন উর্ধ্বগতিতে মানুষের টিকে থাকা মুশকিল হয়ে উঠছে।

সাব্বির সাহেব নামে একজন প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করেন। করোনার আগে অর্থাত অন্ত আরো দুই বছর আগে তার বেতন ছিলো বিশ হাজার টাকা। তখন তিনি চাউলের বস্তা কিনতেন ২৪শ টাকা, পেয়াজ ২৫ টাকা, আলু ১২ টাকা, ডাল ৬০ টাকা। আর বর্তমানে তাকে একই চাল কিনতে হচ্ছে ৩৬শ টাকা, পেয়াজ ৮০ টাকা, আলু ২৫টাকা, ডাল ১২০ টাকা। দেখা যাচ্ছে তার বাজারের খরচ দ্বিগুনেরও বেশি হয়ে গেছে।

একই ভাবে বিদ্যুত, গ্যাস, ময়লা বিলসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি খরচাও মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এসব বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে অনেক আন্দোলন সংগ্রাম দেখা গেলেও এখন সেটি দেখা যায় না। মানুষের আয় বেড়েছে ঠিক তবে কাদের? যাদের আয় বেড়েছে তারা হয়তো বাজারে গিয়ে এসব কিনে খেতেও হয় না। চলে আসে দেশের বাইরে থেকে।

সর্বশেষ ডিজেল ও ক্যারোসিনের দাম বৃদ্ধি করা হলো আন্তর্জাতিক বাজারে কথা বলে। যেগুলো না করলেই নয় তা অবশ্যই সরকার করবে। দেশের মানুষও সেটিকে স্বাগত জানাবে। তবে যেসব পণ্যের দাম বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বাড়ছে সেগুলো সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নয়তো বাজার আরো অস্থির হয়ে উঠবে।

সময় থাকতে অযোক্তিক বৃদ্ধিকৃত পণ্যের দাম কমাতে হবে এবং অযোক্তিক র্মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করতে হবে।