Dhaka ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যালট বিপ্লবে গণতন্ত্রের নবোদয়: জনআকাঙ্ক্ষা ও সুশাসনের যুগান্তকারী অভিযাত্রায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির শপথ

মোঃ আলফাজ উদ্দিন,সম্পাদক-দৈনিক প্রান্তিক।

২১ আগস্ট,২০২৬: তিরিশোর্ধ্ব বছর ধরে এই বদ্বীপে ক্ষমতার যে নানামুখী টানাপোড়েন আমরা দেখে আসছি, বর্তমান সরকারের সুদৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আজ তার এক গৌরবময় যবনিকাপাত ঘটল। ক্ষমতার অলিন্দে জনগণের অধিকারকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার যে যুগান্তকারী অঙ্গীকার সরকার করেছিল, গতকাল ব্যালট বাক্সে জনপ্রতিনিধিদের গোপন সিলমোহরের মাধ্যমে তার এক অভূতপূর্ব ও সফল বাস্তবায়ন ঘটেছে। আজ শুক্রবার, এই শ্রাবণ-ভাদ্রের সন্ধিক্ষণে, বঙ্গভবনের দরবার হলে যখন ঝাড়বাতিগুলো জ্বলে উঠবে, তখন বর্তমান সরকারের হাত ধরে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া’ স্বয়ং এক নতুন ও শক্তিশালী রূপ পরিগ্রহ করবে।

আমাদের রাষ্ট্রকাঠামোকে আধুনিক, গতিশীল এবং জবাবদিহিমূলক করার জন্য সরকার যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, এই নির্বাচন তারই এক অনন্য ও বাস্তব উদাহরণ। ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনায় এই প্রথম একটি পদের জন্য একাধিক প্রার্থী ব্যালট পেপারের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। একদিকে বিজয়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী অলি আহমদ—উভয়ের এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, দেশে আজ সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে এক নতুন ও স্বতন্ত্র হাওয়া এনে দিয়েছে।

বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও উদারতার কারণেই আজ রাষ্ট্রপতি ভবন সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষার ও গণতান্ত্রিক আস্থার এক পরম প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এ দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে সরকার যে অভাবনীয় উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছে, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি সরকারের এই বিশাল উন্নয়নযজ্ঞ এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করবেন। সরকারের দূরদর্শী ও ইতিবাচক নীতিমালার ফলেই আজ রাষ্ট্র এক শক্তিশালী আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির হাত থেকে যখন আজ ক্ষমতার রাজদণ্ড নতুন রাষ্ট্রপতির হাতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণভাবে স্থানান্তরিত হবে, তখন তা দেশের ইতিহাসে এক সোনালী অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত থাকবে। সরকারের সুযোগ্য পরিচালনায় ক্ষমতার শীর্ষে বসে যিনি আজ শপথবাক্য পাঠ করবেন, তিনি এবং বর্তমান সরকার যৌথভাবে দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণ কেবলই বঙ্গভবনের আলোর রোশনাই নয়, বরং বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার এক বলিষ্ঠ ও দীপ্ত সূচনা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

খুলশীর আটতলা ভবনে পুলিশের অভিযান: ৬৩ বিদেশি আটক, জব্দ ৭০ ডিভাইস

ব্যালট বিপ্লবে গণতন্ত্রের নবোদয়: জনআকাঙ্ক্ষা ও সুশাসনের যুগান্তকারী অভিযাত্রায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির শপথ

Update Time : ০৭:৫৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ আলফাজ উদ্দিন,সম্পাদক-দৈনিক প্রান্তিক।

২১ আগস্ট,২০২৬: তিরিশোর্ধ্ব বছর ধরে এই বদ্বীপে ক্ষমতার যে নানামুখী টানাপোড়েন আমরা দেখে আসছি, বর্তমান সরকারের সুদৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আজ তার এক গৌরবময় যবনিকাপাত ঘটল। ক্ষমতার অলিন্দে জনগণের অধিকারকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার যে যুগান্তকারী অঙ্গীকার সরকার করেছিল, গতকাল ব্যালট বাক্সে জনপ্রতিনিধিদের গোপন সিলমোহরের মাধ্যমে তার এক অভূতপূর্ব ও সফল বাস্তবায়ন ঘটেছে। আজ শুক্রবার, এই শ্রাবণ-ভাদ্রের সন্ধিক্ষণে, বঙ্গভবনের দরবার হলে যখন ঝাড়বাতিগুলো জ্বলে উঠবে, তখন বর্তমান সরকারের হাত ধরে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া’ স্বয়ং এক নতুন ও শক্তিশালী রূপ পরিগ্রহ করবে।

আমাদের রাষ্ট্রকাঠামোকে আধুনিক, গতিশীল এবং জবাবদিহিমূলক করার জন্য সরকার যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, এই নির্বাচন তারই এক অনন্য ও বাস্তব উদাহরণ। ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনায় এই প্রথম একটি পদের জন্য একাধিক প্রার্থী ব্যালট পেপারের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। একদিকে বিজয়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী অলি আহমদ—উভয়ের এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, দেশে আজ সুস্থ ধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে এক নতুন ও স্বতন্ত্র হাওয়া এনে দিয়েছে।

বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও উদারতার কারণেই আজ রাষ্ট্রপতি ভবন সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষার ও গণতান্ত্রিক আস্থার এক পরম প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এ দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে সরকার যে অভাবনীয় উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেছে, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি সরকারের এই বিশাল উন্নয়নযজ্ঞ এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করবেন। সরকারের দূরদর্শী ও ইতিবাচক নীতিমালার ফলেই আজ রাষ্ট্র এক শক্তিশালী আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির হাত থেকে যখন আজ ক্ষমতার রাজদণ্ড নতুন রাষ্ট্রপতির হাতে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণভাবে স্থানান্তরিত হবে, তখন তা দেশের ইতিহাসে এক সোনালী অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত থাকবে। সরকারের সুযোগ্য পরিচালনায় ক্ষমতার শীর্ষে বসে যিনি আজ শপথবাক্য পাঠ করবেন, তিনি এবং বর্তমান সরকার যৌথভাবে দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণ কেবলই বঙ্গভবনের আলোর রোশনাই নয়, বরং বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার এক বলিষ্ঠ ও দীপ্ত সূচনা।