Dhaka ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফারুকের চিকিৎসার জন্য ফ্ল্যাট বিক্রি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২২
  • ৮৪ Time View

দীর্ঘ ১০ মাসের বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বরেণ্য অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। কখনও তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি, আবার কখনও অবনতি হয়। তবে হাল ছাড়াননি পরিবারের সদস্যরা। অনেক ব্যয়বহুল হলেও পরিবার থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসা।

এই চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে প্রায় পনেরো কোটি টাকা মূল্যের দুটি ফ্ল্যাট বিক্রি করেছে ফারুকের পরিবার। বর্তমানে ব্যাংক অ্যাকাউন্টও শূন্য। ধার-দেনা করতে হয়েছে স্বজনদের কাছ থেকে। এমনটিই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন এ অভিনেতার স্ত্রী ফারহানা ফারুক।

ফারুকের সবশেষ অবস্থার বিষয়ে তিনি জানান, শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। একটু একটু করে তিনি (ফারুক) সুস্থ হয়ে উঠছেন। পাঁচ মাস আগে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। এখন নিজের পছন্দের সব ধরনের খাবার খেতে পারছেন। রক্তচাপ ও মস্তিস্কে যে সমস্যা ছিল, তাও এখন নিয়ন্ত্রণে। স্নায়ুতন্ত্রে নতুন কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা আগে ছিল না। এর চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

একরাম হত্যার বিচার প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি: সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

ফারুকের চিকিৎসার জন্য ফ্ল্যাট বিক্রি

Update Time : ০২:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২২

দীর্ঘ ১০ মাসের বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বরেণ্য অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। কখনও তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি, আবার কখনও অবনতি হয়। তবে হাল ছাড়াননি পরিবারের সদস্যরা। অনেক ব্যয়বহুল হলেও পরিবার থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসা।

এই চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে প্রায় পনেরো কোটি টাকা মূল্যের দুটি ফ্ল্যাট বিক্রি করেছে ফারুকের পরিবার। বর্তমানে ব্যাংক অ্যাকাউন্টও শূন্য। ধার-দেনা করতে হয়েছে স্বজনদের কাছ থেকে। এমনটিই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন এ অভিনেতার স্ত্রী ফারহানা ফারুক।

ফারুকের সবশেষ অবস্থার বিষয়ে তিনি জানান, শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। একটু একটু করে তিনি (ফারুক) সুস্থ হয়ে উঠছেন। পাঁচ মাস আগে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। এখন নিজের পছন্দের সব ধরনের খাবার খেতে পারছেন। রক্তচাপ ও মস্তিস্কে যে সমস্যা ছিল, তাও এখন নিয়ন্ত্রণে। স্নায়ুতন্ত্রে নতুন কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, যা আগে ছিল না। এর চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি।