Dhaka ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কয়লার ব্যবহার বন্ধে ১৯০টি দেশ প্রতিশ্রুতি দিল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৪০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১
  • ২৫১ Time View

আন্তর্জাতিক পরিবেশবিদদের মতে, বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে কয়লা। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রতি বছর যে পরিমাণ কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাস মেশে, তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উৎস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো। পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও চিলির মতো অনেক উন্নয়নশীল ও মধ্যম আয়ের দেশ, যাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন বহুলাংশে কয়লা নির্ভর, তারা স্বাক্ষর করেছে কপ ২৬ অঙ্গীকারপত্রে। তবে, এতে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত থেকেছে বিশ্বের কয়েকটি বৃহৎ অর্থনীতির দেশ- অস্ট্রেলিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত।

পরিবেশের জন্য বিপর্যয়কর কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করতে প্রধান জ্বালানী হিসেবে কয়লার ব্যবহার বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্বের ১৯০টি দেশ ও সংস্থা। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

কয়লার ব্যবহার পরিবেশের জন্য কতটা হুমকি সেটি এক সঙ্গে প্রায় দুইশো দেশের অঙ্গিকারেই পরিস্কার। যদিও ক্ষমতাধর চার দেশের স্বাক্ষর না করা নিয়ে চিন্তিত অন্য দেশগুলো। স্বাক্ষরকারী দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বর্তমানে যেসব কয়লা প্রকল্প চালু আছে, ধীরে ধীরে সেগুলোকে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে।

যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলনে (কপ ২৬) ১৯০ টি দেশ ও সংস্থা অঙ্গীকারপত্রে এই মর্মে স্বাক্ষর করেছে যে, তারা নিজেদের দেশে নতুন কোনো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করবে না। তার পরিবর্তে বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

কপ ২৬ প্রতিশ্রুতিপত্র অনুযায়ী, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের চলমান কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে রূপান্তরিত করবে। উন্নয়নশীল ও মধ্যম আয়ের দেশসমূহের জন্য এই সময়সীমা ধরা হয়েছে ২০৪০ সাল।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শ্রমিক আন্দোলনে উত্তাল কালিয়াকৈর, পরিস্থিতি শান্ত করতে মাঠে এমপি মজিবুর রহমান

কয়লার ব্যবহার বন্ধে ১৯০টি দেশ প্রতিশ্রুতি দিল

Update Time : ০৪:৪০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১

আন্তর্জাতিক পরিবেশবিদদের মতে, বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে কয়লা। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রতি বছর যে পরিমাণ কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাস মেশে, তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উৎস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো। পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও চিলির মতো অনেক উন্নয়নশীল ও মধ্যম আয়ের দেশ, যাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন বহুলাংশে কয়লা নির্ভর, তারা স্বাক্ষর করেছে কপ ২৬ অঙ্গীকারপত্রে। তবে, এতে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত থেকেছে বিশ্বের কয়েকটি বৃহৎ অর্থনীতির দেশ- অস্ট্রেলিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত।

পরিবেশের জন্য বিপর্যয়কর কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করতে প্রধান জ্বালানী হিসেবে কয়লার ব্যবহার বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্বের ১৯০টি দেশ ও সংস্থা। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

কয়লার ব্যবহার পরিবেশের জন্য কতটা হুমকি সেটি এক সঙ্গে প্রায় দুইশো দেশের অঙ্গিকারেই পরিস্কার। যদিও ক্ষমতাধর চার দেশের স্বাক্ষর না করা নিয়ে চিন্তিত অন্য দেশগুলো। স্বাক্ষরকারী দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বর্তমানে যেসব কয়লা প্রকল্প চালু আছে, ধীরে ধীরে সেগুলোকে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে।

যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলনে (কপ ২৬) ১৯০ টি দেশ ও সংস্থা অঙ্গীকারপত্রে এই মর্মে স্বাক্ষর করেছে যে, তারা নিজেদের দেশে নতুন কোনো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করবে না। তার পরিবর্তে বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

কপ ২৬ প্রতিশ্রুতিপত্র অনুযায়ী, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের চলমান কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে রূপান্তরিত করবে। উন্নয়নশীল ও মধ্যম আয়ের দেশসমূহের জন্য এই সময়সীমা ধরা হয়েছে ২০৪০ সাল।