Dhaka ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধুপুর বহুমুখী মডেল টেকনিক্যাল ইন্সিটিটিউটে এক বিষয়ে শতভাগ ফেল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২০
  • ২০০ Time View

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন রানিয়াদ মধুপুর বহুমুখী মডেল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের ২০২০ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী সকল শিক্ষার্থীর একটি বিষয়ে এ বছর ৩১ মে ফলাফল প্রকাশে শতভাগ ফেল আসে। এতে মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সকল পরীক্ষার্থী।

অধ্যক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষিকা-কর্মচারীদের গাফিলতির কারনে এরকম হয়েছে। শিক্ষার্থীরাসহ অভিভাবকরা এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। তারা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম কিভাবে চালিয়ে যাবে সেটা নিয়ে অভিভাবকরা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে আবারও যোগাযোগ করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক এর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম ঢাকা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গেছেন শতভাগ ফেল আসার কারন খতিয়ে দেখার জন্য। এখন শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি, যাচাই বাছাই পূর্বক পরীক্ষার ফলাফল সংশোধন করে পুনঃফলাফল প্রকাশের পদক্ষেপ গ্রহন করা। যাতে করে তারা পরবর্তী শিক্ষাকার্যক্রম যথাযথভাবে চালিয়ে যেতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

একরাম হত্যার বিচার প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি: সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

মধুপুর বহুমুখী মডেল টেকনিক্যাল ইন্সিটিটিউটে এক বিষয়ে শতভাগ ফেল

Update Time : ০৮:১৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২০

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন রানিয়াদ মধুপুর বহুমুখী মডেল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের ২০২০ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী সকল শিক্ষার্থীর একটি বিষয়ে এ বছর ৩১ মে ফলাফল প্রকাশে শতভাগ ফেল আসে। এতে মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সকল পরীক্ষার্থী।

অধ্যক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষিকা-কর্মচারীদের গাফিলতির কারনে এরকম হয়েছে। শিক্ষার্থীরাসহ অভিভাবকরা এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। তারা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম কিভাবে চালিয়ে যাবে সেটা নিয়ে অভিভাবকরা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে আবারও যোগাযোগ করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক এর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম ঢাকা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গেছেন শতভাগ ফেল আসার কারন খতিয়ে দেখার জন্য। এখন শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি, যাচাই বাছাই পূর্বক পরীক্ষার ফলাফল সংশোধন করে পুনঃফলাফল প্রকাশের পদক্ষেপ গ্রহন করা। যাতে করে তারা পরবর্তী শিক্ষাকার্যক্রম যথাযথভাবে চালিয়ে যেতে পারে।