নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা | ১৪ জুলাই ২০২৬
চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর সৃজনশীল প্রশ্নে ভুল থাকার কারণে সব পরীক্ষার্থীকে ওই দুই প্রশ্নের জন্য পূর্ণ নম্বর (ফুল ক্রেডিট) দেওয়া হবে। ২০২৬ সালের ১৪ জুলাই জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই ঘোষণা দেন।
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে দুটি সৃজনশীল প্রশ্নে ত্রুটি থাকার অভিযোগের পর পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর সৃজনশীল প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ত্রুটি শনাক্ত হয়েছে। ফলে কোনো শিক্ষার্থী যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য ওই দুটি প্রশ্নে অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্ন নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা শুরু করা হয়েছে। পর্যালোচনায় প্রশ্নে ত্রুটি প্রমাণিত হলে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর প্রদান করা হবে।
কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রতি কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো পরীক্ষার্থীর ক্ষতি হবে না।
এদিকে প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরীক্ষার্থীদের একাংশ দাবি করেন, প্রশ্নের ভাষা ও তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে নির্ধারিত নিয়মে উত্তর দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। বিষয়টি দ্রুত আমলে নিয়ে শিক্ষা প্রশাসন আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়ায় পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগ অনেকটাই কমেছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের ফলে পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ত্রুটির কারণে কোনো পরীক্ষার্থী ফলাফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক | 

























