Dhaka ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলায় ফাঁসির রায় -দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
রাজধানীর পল্লবীতে বহুল আলোচিত শিশু রামিসা আক্তার হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের সময় আদালত বলেন, শিশু রামিসার ওপর সংঘটিত বর্বরতা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তাও উঠে আসে।
মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালতপাড়ায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। রায় ঘোষণার পর নিহত রামিসার পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করলেও দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, এ রায় সমাজে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।

উল্লেখ্য, রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের জন্ম দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি ওঠে। পরে তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলায় ফাঁসির রায় -দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় স্বস্তি

Update Time : ০৮:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
রাজধানীর পল্লবীতে বহুল আলোচিত শিশু রামিসা আক্তার হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের সময় আদালত বলেন, শিশু রামিসার ওপর সংঘটিত বর্বরতা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তাও উঠে আসে।
মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালতপাড়ায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। রায় ঘোষণার পর নিহত রামিসার পরিবার সন্তোষ প্রকাশ করলেও দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, এ রায় সমাজে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।

উল্লেখ্য, রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের জন্ম দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি ওঠে। পরে তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।