Dhaka ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে বিজিবি সদস্যসহ ৯ জন নিহত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১
  • ১৫৫ Time View

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তৃতীয় ধাপেও প্রাণহানি এড়ানো যায়নি। এই ধাপে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীসহ নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার ভোটের দিন সহিংসতায় নীলফামারীতে একজন বিজিবি সদস্যসহ অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই শতাধিক। সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে অন্তত ১৩০টি কেন্দ্রে। গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ, জাল ভোট, কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাইসহ নানা অনিয়মের ঘটনাও ঘটেছে।

তবে নির্বাচনকে সহিংসতাহীন নির্বাচনের মডেল হিসেবে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। তিনি বলেন, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এবারের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে।

ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এক হাজার ইউপি এবং ৯টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও চট্টগ্রাম জেলার ১৪টি ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সব চেয়ারম্যান-মেম্বার নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে ভোটের প্রয়োজন হয়নি। বাকি ৯৮৬টি ইউপিতে প্রাথমিক হিসেবে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্র প্রিজাইডিং অফিসারদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় ২১টি কেন্দ্রে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শ্রমিক আন্দোলনে উত্তাল কালিয়াকৈর, পরিস্থিতি শান্ত করতে মাঠে এমপি মজিবুর রহমান

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে বিজিবি সদস্যসহ ৯ জন নিহত

Update Time : ০৫:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তৃতীয় ধাপেও প্রাণহানি এড়ানো যায়নি। এই ধাপে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীসহ নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার ভোটের দিন সহিংসতায় নীলফামারীতে একজন বিজিবি সদস্যসহ অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই শতাধিক। সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে অন্তত ১৩০টি কেন্দ্রে। গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ, জাল ভোট, কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাইসহ নানা অনিয়মের ঘটনাও ঘটেছে।

তবে নির্বাচনকে সহিংসতাহীন নির্বাচনের মডেল হিসেবে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। তিনি বলেন, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এবারের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে।

ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এক হাজার ইউপি এবং ৯টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও চট্টগ্রাম জেলার ১৪টি ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সব চেয়ারম্যান-মেম্বার নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে ভোটের প্রয়োজন হয়নি। বাকি ৯৮৬টি ইউপিতে প্রাথমিক হিসেবে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্র প্রিজাইডিং অফিসারদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় ২১টি কেন্দ্রে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।