Dhaka ০৩:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব রক্ষায় জলবায়ু চুক্তিতে সম্মত দেশগুলো

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২৭:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২১
  • ১৫২ Time View

অনেক জল্পনা কল্পনা নাটকীয়তার পর বিশ্বকে রক্ষায় জলবায়ু চুক্তিতে সম্মত হয়েছে দেশগুলো। এছাড়া এই চুক্তিতে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানিকে দায়ী করা হয়েছে। এমনকি জীবাশ্ম জ্বালানি কয়লার ব্যবহার কমানোর পরিকল্পনায়ও একমত হয়েছে দেশগুলো। অবশ্য কয়লা নির্ভর দেশগুলো শেষ মুহূর্তেও চুক্তি নিয়ে আপত্তি তুলেছে। আজ রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

জলবায়ুর বিপর্যয় মোকাবিলায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার অঙ্গীকারকে এখনও জীবিত রাখায় এই চুক্তিকে প্রসংশা করা হচ্ছে। তবে সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রায় ২০০ দেশের প্রতিনিধিদের বেশিরভাগই আশা করছেন যে, তারা এখান থেকে আরও বেশি কিছু নিয়ে আসতে পারবেন।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তিতে সম্মত হলেও কতটা মানে বা মানবে শর্তগুলো সেটি একটি বড় বিষয়। এবারের জলবায়ু সম্মেলনে জোরালো ভুমিকা রাখেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বিশ্বকে এক সঙ্গে কাজ করতে অনুরোধ করেন।

নতুন এই চুক্তির আওতায় সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো আগামী বছরও কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মূলত বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতেই এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশগুলো।

এদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গ্লাসগো সম্মেলনের চূড়ান্ত চুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আরও অর্থ সহায়তা দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। তবে এসব অঙ্গীকার বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করা হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঢাবি এলাকায় তিন ককটেল বিস্ফোরণ- বিক্ষোভ ছাত্রদলের

বিশ্ব রক্ষায় জলবায়ু চুক্তিতে সম্মত দেশগুলো

Update Time : ০৬:২৭:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২১

অনেক জল্পনা কল্পনা নাটকীয়তার পর বিশ্বকে রক্ষায় জলবায়ু চুক্তিতে সম্মত হয়েছে দেশগুলো। এছাড়া এই চুক্তিতে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানিকে দায়ী করা হয়েছে। এমনকি জীবাশ্ম জ্বালানি কয়লার ব্যবহার কমানোর পরিকল্পনায়ও একমত হয়েছে দেশগুলো। অবশ্য কয়লা নির্ভর দেশগুলো শেষ মুহূর্তেও চুক্তি নিয়ে আপত্তি তুলেছে। আজ রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

জলবায়ুর বিপর্যয় মোকাবিলায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার অঙ্গীকারকে এখনও জীবিত রাখায় এই চুক্তিকে প্রসংশা করা হচ্ছে। তবে সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রায় ২০০ দেশের প্রতিনিধিদের বেশিরভাগই আশা করছেন যে, তারা এখান থেকে আরও বেশি কিছু নিয়ে আসতে পারবেন।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুক্তিতে সম্মত হলেও কতটা মানে বা মানবে শর্তগুলো সেটি একটি বড় বিষয়। এবারের জলবায়ু সম্মেলনে জোরালো ভুমিকা রাখেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বিশ্বকে এক সঙ্গে কাজ করতে অনুরোধ করেন।

নতুন এই চুক্তির আওতায় সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো আগামী বছরও কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মূলত বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতেই এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশগুলো।

এদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গ্লাসগো সম্মেলনের চূড়ান্ত চুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আরও অর্থ সহায়তা দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। তবে এসব অঙ্গীকার বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করা হচ্ছে।