Dhaka ০১:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্থির বাজার! ভোগাচ্ছে সবজি-মাছ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১
  • ১৯২ Time View

কৃষকের মাঠে সবজির অভাব নেই। মাছের প্রজেক্টেও ভরপুর মাছ। রাতের বেলা রাজধানীতে ঢুকছে ট্রাকে ট্রাকে। শীতের আবহ শুরু হওয়াতে শীতকালিন সবজিও ঢুকছে। সবই ঠিকঠাক। হিসেব মিলেনা শুধু খুচরা বাজারে। মাছ কিনতে গেলেও দামে আগুন সবজিতেও তাই। নতুন করে কোন মাছ বা সবজির দাম না বাড়লেও রাজধানীর বাজারগুলোতে আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাক সবজি ও মাছ। সবজি-মাছের পাশাপাশি ডিম, তেল, চিনিসহ নিত্যপণ্যের দামে নাকাল হতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর নিউমার্কেট কাঁচাবাজার, আড়ৎ ও পাইকারি দোকান ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকেই এসব সবজি ও মাছ কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। যার ফলে খুচরা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৩০-২৪০ টাকা, এবং সোনালি মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস হাড়সহ ৬০০ টাকা, হাড় ছাড়া ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ৮০০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি বড় রুই ৩০০-৩৫০ টাকা, মাঝারি রুই ২৫০-২৭০ টাকা, কাতল ২৫০-৩০০ টাকা, বড় পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকা, পাবদা ৫০০-৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০-৭৫০ টাকা ও শিং ৪৫০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট, মাঝারি, বড় ইলিশ যথাক্রমে ৮০০, ১০০০ ও ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া কাঁচকি মাছ ৩০০ টাকা, মলা মাছ ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে সামুদ্রিক মাছের দামও বেশ চড়া। প্রতিকেজি বড় আকারের সুরমা মাছ ৩০০ টাকা, রুপচাঁদা ৬০০-৮০০ টাকা, লাল কোরাল ৫০০-৬০০ টাকা, বাটা মাছ ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এসব মাছই খুচরা বাজারে ১০০-১৫০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

সবজির দোকানগুলোতে, গোলআলু, টমেটো, গোল বেগুন, লম্বা বেগুন, করলা, পটল, লাউ, কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, ফুলকপি, বরবটি, চিচিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙ্গা, কচুরলতি, ঢেঁড়শ, লাউশাক, পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক, কচু শাকসহ সবধরনের সবজির বাজার আগের মতোই চড়া। ৫০-৬০ টাকা কেজির নিচে নেই কোনো সবজি।

ঢেঁড়স, পটল, ঝিঙ্গা, করলা, চিচিঙ্গা ৬০-৮০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা, কাঁচকলা হালি প্রতি ৩৫-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

দেশি পেঁয়াজ ৬০-৬৫ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০-১১০ টাকা, রসুন ১৩০-১৪০ টাকা, গোল আলু ২৫ টাকা, দেশি আদা ১৩০-১৬০ টাকা, আমাদানি করা আদা ১৬০- ২০০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, গাজর ১০০-১২০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬৫ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, শিম ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

টঙ্গীতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

অস্থির বাজার! ভোগাচ্ছে সবজি-মাছ

Update Time : ০৫:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর ২০২১

কৃষকের মাঠে সবজির অভাব নেই। মাছের প্রজেক্টেও ভরপুর মাছ। রাতের বেলা রাজধানীতে ঢুকছে ট্রাকে ট্রাকে। শীতের আবহ শুরু হওয়াতে শীতকালিন সবজিও ঢুকছে। সবই ঠিকঠাক। হিসেব মিলেনা শুধু খুচরা বাজারে। মাছ কিনতে গেলেও দামে আগুন সবজিতেও তাই। নতুন করে কোন মাছ বা সবজির দাম না বাড়লেও রাজধানীর বাজারগুলোতে আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাক সবজি ও মাছ। সবজি-মাছের পাশাপাশি ডিম, তেল, চিনিসহ নিত্যপণ্যের দামে নাকাল হতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর নিউমার্কেট কাঁচাবাজার, আড়ৎ ও পাইকারি দোকান ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকেই এসব সবজি ও মাছ কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। যার ফলে খুচরা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৩০-২৪০ টাকা, এবং সোনালি মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস হাড়সহ ৬০০ টাকা, হাড় ছাড়া ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ৮০০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি বড় রুই ৩০০-৩৫০ টাকা, মাঝারি রুই ২৫০-২৭০ টাকা, কাতল ২৫০-৩০০ টাকা, বড় পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকা, পাবদা ৫০০-৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০-৭৫০ টাকা ও শিং ৪৫০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট, মাঝারি, বড় ইলিশ যথাক্রমে ৮০০, ১০০০ ও ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া কাঁচকি মাছ ৩০০ টাকা, মলা মাছ ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে সামুদ্রিক মাছের দামও বেশ চড়া। প্রতিকেজি বড় আকারের সুরমা মাছ ৩০০ টাকা, রুপচাঁদা ৬০০-৮০০ টাকা, লাল কোরাল ৫০০-৬০০ টাকা, বাটা মাছ ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এসব মাছই খুচরা বাজারে ১০০-১৫০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

সবজির দোকানগুলোতে, গোলআলু, টমেটো, গোল বেগুন, লম্বা বেগুন, করলা, পটল, লাউ, কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, ফুলকপি, বরবটি, চিচিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়া, ঝিঙ্গা, কচুরলতি, ঢেঁড়শ, লাউশাক, পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক, কচু শাকসহ সবধরনের সবজির বাজার আগের মতোই চড়া। ৫০-৬০ টাকা কেজির নিচে নেই কোনো সবজি।

ঢেঁড়স, পটল, ঝিঙ্গা, করলা, চিচিঙ্গা ৬০-৮০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা, কাঁচকলা হালি প্রতি ৩৫-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

দেশি পেঁয়াজ ৬০-৬৫ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০-১১০ টাকা, রসুন ১৩০-১৪০ টাকা, গোল আলু ২৫ টাকা, দেশি আদা ১৩০-১৬০ টাকা, আমাদানি করা আদা ১৬০- ২০০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, গাজর ১০০-১২০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬৫ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, শিম ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।