Dhaka ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত দুজনের জানাজা ছাড়াই দাফন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১
  • ১৫২ Time View

কুমিল্লা সিটি করপােরেশনের (কুসিক) ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সােহেল ও সহযোগী হরিপদ সাহাকে এলােপাতাড়ি গুলি করে খুনের ঘটনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত আসামি সাব্বির ও সাজনকে জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়েছে। গতকাল গমঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পুলিশি পাহাড়ায় সীমিতসংখ্যক পরিবারের সদস্য নিয়ে মরদেহ দাফন করা হয়। তবে এ সময় কোনো মাওলানা ও এলাকার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেননি।

এলাকাবাসিরা বলেন, এদের মতো অমানুষ আমাদের সঙ্গে থাকতো সেটি ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে। এভাবে কেমন করে মানুষকে হত্যা করতে পারে। এটা কোন মানুষের কাজ নয়। এরা কোন ধর্মের বলেও বিশ্বাস করি না। অপরাধী ভয়াবহ অপরাধী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নগরীর চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক কায়সার হামিদ বলেন, বন্ধুকযুদ্ধে নিহতের লাশ এলাকায় দাফন না করার জন্য সকালে বিক্ষোভ করেছিল স্থানীয়রা। তাই বিকেল কবরস্থান এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

জানা যায়, নগরীর টিক্কারচর কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলেও তাদের নামাজে জানাজা পরতে কোনাে মাওলানা ও মুসল্লি এগিয়ে আসেননি। পরে জানাজা ছাড়াই মাগরিব নামাজের কিছু আগে সাব্বির হােসেন ও মাে. সাজনের মরদেহ দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, ২২ নভেম্বর বিকেলে সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা মারা যান। এছাড়া আরও ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

শ্রমিক আন্দোলনে উত্তাল কালিয়াকৈর, পরিস্থিতি শান্ত করতে মাঠে এমপি মজিবুর রহমান

কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত দুজনের জানাজা ছাড়াই দাফন

Update Time : ০৬:১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১

কুমিল্লা সিটি করপােরেশনের (কুসিক) ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সােহেল ও সহযোগী হরিপদ সাহাকে এলােপাতাড়ি গুলি করে খুনের ঘটনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত আসামি সাব্বির ও সাজনকে জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়েছে। গতকাল গমঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পুলিশি পাহাড়ায় সীমিতসংখ্যক পরিবারের সদস্য নিয়ে মরদেহ দাফন করা হয়। তবে এ সময় কোনো মাওলানা ও এলাকার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেননি।

এলাকাবাসিরা বলেন, এদের মতো অমানুষ আমাদের সঙ্গে থাকতো সেটি ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে। এভাবে কেমন করে মানুষকে হত্যা করতে পারে। এটা কোন মানুষের কাজ নয়। এরা কোন ধর্মের বলেও বিশ্বাস করি না। অপরাধী ভয়াবহ অপরাধী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নগরীর চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক কায়সার হামিদ বলেন, বন্ধুকযুদ্ধে নিহতের লাশ এলাকায় দাফন না করার জন্য সকালে বিক্ষোভ করেছিল স্থানীয়রা। তাই বিকেল কবরস্থান এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

জানা যায়, নগরীর টিক্কারচর কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলেও তাদের নামাজে জানাজা পরতে কোনাে মাওলানা ও মুসল্লি এগিয়ে আসেননি। পরে জানাজা ছাড়াই মাগরিব নামাজের কিছু আগে সাব্বির হােসেন ও মাে. সাজনের মরদেহ দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, ২২ নভেম্বর বিকেলে সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা মারা যান। এছাড়া আরও ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন।