Dhaka ০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের পাঠ্য বই ছাপা নিয়ে সংশয়, হতে পারে দেরি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১
  • ১৩৭ Time View

এ জেনো নিয়মে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছরেই শিক্ষার্থীদের পাঠ্য বই ছাপার এই বিলম্ব এখন নিয়মিত হয়ে গেছে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে এবার করোনায় সেটি আরো দেরি হতে পারে এমনটাই বুঝা যাচ্ছে। প্রতিবছর এই সময়ে সব পর্যায়ের প্রায় অর্ধেক বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে যেত, কিন্তু এবার মাধ্যমিকের বইয়ের কাজ সবে শুরু হয়েছে। প্রাথমিকের অর্ধেক বই ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। আবার স্পেসিফিকেশনের (দরপত্রের শর্ত) ভুলের কারণে প্রাক-প্রাথমিকের বইয়ের সম্প্রতি আবার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ অবস্থায় এবার ডিসেম্বরের মধ্যে ৩৫ কোটি বইয়ের কাজ শেষ করা বেশ কঠিন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র জানায়, আগামী ২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর জন্য ৩৫ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার ৩১৩ বই ছাপা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে মোট পাঠ্যপুস্তক ছাপা হচ্ছে ১০ কোটি ৪৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩ কপি। আর ইবতেদায়ি, দাখিল মাদরাসাসহ মাধ্যমিক স্তরে ২৪ কোটি ৭১ লাখ ৫৬ হাজার ২২০ বই ছাপানো হচ্ছে।

প্রাক-প্রাথমিকে ৬৬ লাখ বইয়ের মধ্যে শুধু এক্সারসাইজ বুকের কাজ শেষ হয়েছে। ওয়ার্ড বুকের কাগজের ক্ষেত্রে এমন একটি শর্ত চাওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানই জোগাড় করতে পারেনি। এ জন্য শর্ত ঠিক করে পুনঃ দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এই দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করতেই আরো এক মাস সময় লাগতে পারে। ফলে ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তবে এর মধ্যেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন আশাবাদী, প্রতিবছরের মতো এবারও তাঁরা শতভাগ বই স্কুলে পৌঁছে দিয়ে ১ জানুয়ারি বই উৎসব করতে পারবেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

একরাম হত্যার বিচার প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি: সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

শিক্ষার্থীদের পাঠ্য বই ছাপা নিয়ে সংশয়, হতে পারে দেরি

Update Time : ০৫:১৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১

এ জেনো নিয়মে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছরেই শিক্ষার্থীদের পাঠ্য বই ছাপার এই বিলম্ব এখন নিয়মিত হয়ে গেছে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে এবার করোনায় সেটি আরো দেরি হতে পারে এমনটাই বুঝা যাচ্ছে। প্রতিবছর এই সময়ে সব পর্যায়ের প্রায় অর্ধেক বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে যেত, কিন্তু এবার মাধ্যমিকের বইয়ের কাজ সবে শুরু হয়েছে। প্রাথমিকের অর্ধেক বই ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। আবার স্পেসিফিকেশনের (দরপত্রের শর্ত) ভুলের কারণে প্রাক-প্রাথমিকের বইয়ের সম্প্রতি আবার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ অবস্থায় এবার ডিসেম্বরের মধ্যে ৩৫ কোটি বইয়ের কাজ শেষ করা বেশ কঠিন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র জানায়, আগামী ২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর জন্য ৩৫ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার ৩১৩ বই ছাপা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে মোট পাঠ্যপুস্তক ছাপা হচ্ছে ১০ কোটি ৪৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩ কপি। আর ইবতেদায়ি, দাখিল মাদরাসাসহ মাধ্যমিক স্তরে ২৪ কোটি ৭১ লাখ ৫৬ হাজার ২২০ বই ছাপানো হচ্ছে।

প্রাক-প্রাথমিকে ৬৬ লাখ বইয়ের মধ্যে শুধু এক্সারসাইজ বুকের কাজ শেষ হয়েছে। ওয়ার্ড বুকের কাগজের ক্ষেত্রে এমন একটি শর্ত চাওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানই জোগাড় করতে পারেনি। এ জন্য শর্ত ঠিক করে পুনঃ দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এই দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করতেই আরো এক মাস সময় লাগতে পারে। ফলে ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তবে এর মধ্যেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন আশাবাদী, প্রতিবছরের মতো এবারও তাঁরা শতভাগ বই স্কুলে পৌঁছে দিয়ে ১ জানুয়ারি বই উৎসব করতে পারবেন।