Dhaka ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রার্থীর অজান্তে রাতের আধাঁরে মনোনয়ন বাতিল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১
  • ১৭১ Time View

প্রার্থীদের অজান্তে কোন ধরণের সাক্ষর ছাড়াই নাকি এবার প্রার্থীতা বাতিল হয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে শরীয়তপুরে। জনসেবার প্রত্যয় নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছিলেন শরীয়তপুরের একাধীক প্রার্থী। কিন্তু তাদের অজান্তেই এবং অনুপুস্থিতিতে কে বা কারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করিয়ে দিয়েছেন। অভিযোগ আছে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের নাড়ানো কলকাঠিতেই এই ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, শরীয়তপুরে ইউপি চেয়ারম্যান পদে ভোট না হলেও সদস্য পদে ভোট হওয়ার কথা ছিল। গত বুধবার নির্বাচন অফিসে প্রতীক নিতে গিয়ে ইউপি সদস্য প্রার্থীরা জানতে পারেন, তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হয়েছে। তারা জানান, কোনো কাগজে সই করেননি, তবে কীভাবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হলো তারা জানেন না।

শরীয়তপুর সদরের চিতলীয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতি ওয়ার্ডে একজন ছাড়া সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র তাদের অজান্তে প্রত্যাহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইউপির ৯ ওয়ার্ডে সদস্য পদে মনোনয়নপত্র তোলা ৪৮ প্রার্থীর মধ্যে প্রত্যাহার হয়েছে ৩৯ জনের। আর সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১২ প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হয়েছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর নির্দেশ পেয়ে নির্বাচন কার্যালয় থেকে এটি করা হয়েছে। প্রার্থীদের সঙ্গে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কথোপকথনের একটি ভিডিও গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বলেন,  ‘আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, কিন্তু প্রত্যাহার করিনি। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রতীক নিতে আসি। রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন আমি নাকি প্রত্যাহার করছি। আমি কাগজপত্র দেখতে চাইলাম তিনি আমাকে কিছুই দ্যাখাননি।

‘এই দ্যাশটা কি মগের মুল্লুক? যে যার যা ইচ্ছা তাই করবে। নির্বাচন না দিলে আমরা আইনের ব্যবস্থা নেব। আদালতে যাব।’

রিটার্নিং কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি বিধিমালায় নেই কারো নির্দেশে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার। এমন কথা কোন প্রেক্ষিতে আমি বলেছি, তা এখন বলতে পারছি না।’

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

টঙ্গীতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

প্রার্থীর অজান্তে রাতের আধাঁরে মনোনয়ন বাতিল

Update Time : ০৭:০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

প্রার্থীদের অজান্তে কোন ধরণের সাক্ষর ছাড়াই নাকি এবার প্রার্থীতা বাতিল হয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে শরীয়তপুরে। জনসেবার প্রত্যয় নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছিলেন শরীয়তপুরের একাধীক প্রার্থী। কিন্তু তাদের অজান্তেই এবং অনুপুস্থিতিতে কে বা কারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করিয়ে দিয়েছেন। অভিযোগ আছে, স্থানীয় প্রভাবশালীদের নাড়ানো কলকাঠিতেই এই ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, শরীয়তপুরে ইউপি চেয়ারম্যান পদে ভোট না হলেও সদস্য পদে ভোট হওয়ার কথা ছিল। গত বুধবার নির্বাচন অফিসে প্রতীক নিতে গিয়ে ইউপি সদস্য প্রার্থীরা জানতে পারেন, তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হয়েছে। তারা জানান, কোনো কাগজে সই করেননি, তবে কীভাবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হলো তারা জানেন না।

শরীয়তপুর সদরের চিতলীয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতি ওয়ার্ডে একজন ছাড়া সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র তাদের অজান্তে প্রত্যাহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইউপির ৯ ওয়ার্ডে সদস্য পদে মনোনয়নপত্র তোলা ৪৮ প্রার্থীর মধ্যে প্রত্যাহার হয়েছে ৩৯ জনের। আর সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১২ প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হয়েছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর নির্দেশ পেয়ে নির্বাচন কার্যালয় থেকে এটি করা হয়েছে। প্রার্থীদের সঙ্গে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কথোপকথনের একটি ভিডিও গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বলেন,  ‘আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, কিন্তু প্রত্যাহার করিনি। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রতীক নিতে আসি। রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন আমি নাকি প্রত্যাহার করছি। আমি কাগজপত্র দেখতে চাইলাম তিনি আমাকে কিছুই দ্যাখাননি।

‘এই দ্যাশটা কি মগের মুল্লুক? যে যার যা ইচ্ছা তাই করবে। নির্বাচন না দিলে আমরা আইনের ব্যবস্থা নেব। আদালতে যাব।’

রিটার্নিং কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি বিধিমালায় নেই কারো নির্দেশে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার। এমন কথা কোন প্রেক্ষিতে আমি বলেছি, তা এখন বলতে পারছি না।’