প্রান্তিক স্পোর্টস প্রতিবেদনঃ
গুয়াদালাহারার রাত ছিল উত্তাপের—
প্রথম বাঁশি বাজতেই ম্যাচে ঝড় তোলে South Korea national football team।
কিন্তু গোলের জন্য অপেক্ষা ছিল দীর্ঘ—আর সেই অপেক্ষাই বানিয়ে দেয় নাটক।
প্রতিপক্ষ Czech Republic national football team ছিল ধীর কিন্তু বিপজ্জনক।
তারা সুযোগ পেয়েছিল মাত্র একবার—আর সেটাই বদলে দেয় স্কোরবোর্ড।
স্টেডিয়াম ছিল উত্তেজনায় কাঁপছে—Estadio Guadalajara।
আর মাঠে নেতৃত্ব দিচ্ছেন Son Heung-min—চোখে আগুন, পায়ে গতি।
প্রথমার্ধজুড়ে কোরিয়া আক্রমণ করল বারবার—
শট এল, সেভ হলো, ফিরে এল, আবার আক্রমণ।
কিন্তু গোল এল না—তবু চাপ কমল না এক মুহূর্তও।
৫৯ মিনিট—ম্যাচ হঠাৎ থেমে যায় না, শুধু দিক বদলায়।
লাদিস্লাভ ক্রেইচির হেডে এগিয়ে যায় চেকরা—এক শট, এক গোল, এক ধাক্কা।
মাঠে নেমে আসে নীরবতা।
কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার মাথা নত হয় না—বরং ওঠে আরও উঁচুতে।
৬৭ মিনিট—ফুটবলের শিল্প শুরু।
Lee Kang-in-এর পাস—
হোয়াং ইন-বমের ছোঁয়া—গোলরক্ষকের ভুল সিদ্ধান্ত—আর জালে বলের নিখুঁত নাচ।
এর আগে ছিল ইতিহাস—২৫ পাসের নিখুঁত সিম্ফনি।
একটি গোল নয়—এটি ছিল নিয়ন্ত্রিত বিশৃঙ্খলার শিল্পকর্ম।
স্কোর সমান—কিন্তু গল্প তখনও শেষ হয়নি।
বরং শুরু হচ্ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর অধ্যায়।
৭৮ মিনিট—চেকরা আবারও জাল খুঁজে পায়,
কিন্তু অফসাইডের পতাকা সব থামিয়ে দেয় এক সেকেন্ডে।
৮০ মিনিট—নামলেন বদলি, আর বদলে গেল ভাগ্য।
হোয়াং ইন-বমের পাস—ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশ—এবং গোল।
Hwang Ui-jo যেন বললেন—এটাই শেষ কথা।
শেষ ১০ মিনিট ছিল যুদ্ধ।
চেকরা আক্রমণ করল, কোরিয়া রুখল।
আর দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন গোলরক্ষক—প্রতিটি সেভ যেন শ্বাস নেওয়ার সুযোগ।
শেষ বাঁশি—
স্কোরলাইন: ২–১
জয় দক্ষিণ কোরিয়ার—কিন্তু গল্পের জয় ফুটবলের।
প্রান্তিক স্পোর্টস প্রতিবেদনঃ 

















