Dhaka ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউপি সদস্যকে টাকার মালা পরিয়ে পুলিশের এসআই প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২২
  • ১৬৬ Time View

সমালোচিত সেই এসআই মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) কে অবশেষে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার (১২ জানুয়ারি) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা (প্রশাসন) বলেন, এ বিষয়ে দুপুরেই আলোচনার পর পরে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়। এর আগে, গত ০৬ জানুয়ারী হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় বাঘাসুরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালিকাপুর গ্রামে তাজুল ইসলাম মহালদার নামে এক ইউপি সদস্যের গলায় টাকার মালা পড়িয়ে সমালোচনায় আসেন এসআই মমিুনল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। থানার একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার এহেন কর্মকাণ্ডে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি হয় সচেতন মহলে। উল্লেখ্য, মমিনুল ইসলাম ১৯৯৭ সালে কনস্টেবল পদে যোগদান করেন।

তিনি ২০০০ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মাধবপুর থানায় ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর পর জুনিয়র সেরেস্তা/মুন্সি হিসেবে কাজ করেন। মুন্সি থাকাবস্থায় এএসআই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানায় চলে যায়ন, সেখান থেকে ২০০৯ সালে আবার মাধবপুর থানায় যোগদান করেন।

২০১২ সালে এসআই পদে পদোন্নতি পেয়ে এসপিবিএন যোগদান করে ৬ মাস কর্মরত থেকে আবার পুনরায় মাধবপুরে চলে আসেন। দীর্ঘ কয়েক বছর থাকার পর গত ২ বছর পূর্বে মাধবপুর থেকে সিলেট ওসমানীনগর থানায় যোগদান করেন।

ওসমানীনগর থানায় কয়েক দিন পরই আবার ক্লোজ হন তিনি। পরে সিলেটের জকিগঞ্জ চৌকি আদালতে ন্যস্ত করা হয়েছিল। সেখান থেকে মাস চারেক আগে আলোচিত-সমালোচিত এসআই মুমিনুল ইসলাম আবার মাধবপুরে চলে আসেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

টঙ্গীতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

ইউপি সদস্যকে টাকার মালা পরিয়ে পুলিশের এসআই প্রত্যাহার

Update Time : ০৯:১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২২

সমালোচিত সেই এসআই মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) কে অবশেষে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার (১২ জানুয়ারি) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা (প্রশাসন) বলেন, এ বিষয়ে দুপুরেই আলোচনার পর পরে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়। এর আগে, গত ০৬ জানুয়ারী হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় বাঘাসুরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালিকাপুর গ্রামে তাজুল ইসলাম মহালদার নামে এক ইউপি সদস্যের গলায় টাকার মালা পড়িয়ে সমালোচনায় আসেন এসআই মমিুনল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। থানার একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার এহেন কর্মকাণ্ডে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি হয় সচেতন মহলে। উল্লেখ্য, মমিনুল ইসলাম ১৯৯৭ সালে কনস্টেবল পদে যোগদান করেন।

তিনি ২০০০ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মাধবপুর থানায় ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর পর জুনিয়র সেরেস্তা/মুন্সি হিসেবে কাজ করেন। মুন্সি থাকাবস্থায় এএসআই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা যাত্রাবাড়ী থানায় চলে যায়ন, সেখান থেকে ২০০৯ সালে আবার মাধবপুর থানায় যোগদান করেন।

২০১২ সালে এসআই পদে পদোন্নতি পেয়ে এসপিবিএন যোগদান করে ৬ মাস কর্মরত থেকে আবার পুনরায় মাধবপুরে চলে আসেন। দীর্ঘ কয়েক বছর থাকার পর গত ২ বছর পূর্বে মাধবপুর থেকে সিলেট ওসমানীনগর থানায় যোগদান করেন।

ওসমানীনগর থানায় কয়েক দিন পরই আবার ক্লোজ হন তিনি। পরে সিলেটের জকিগঞ্জ চৌকি আদালতে ন্যস্ত করা হয়েছিল। সেখান থেকে মাস চারেক আগে আলোচিত-সমালোচিত এসআই মুমিনুল ইসলাম আবার মাধবপুরে চলে আসেন।