Dhaka ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগুনে ভাইবোনের মৃত্যু, মা-বাবা‘র অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১
  • ১৩৪ Time View

মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলার মুক্তারপুরে ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণে দগ্ধ ভাই-বোন মারা গেছে। ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়। মৃতরা হলো ইয়াছিন (৫) ও নোহর (৩)। তারা আপন ভাই-বোন। রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়। ৭টার দিকে ইয়াছিন মারা যায়। তার শরীরের ৪৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তার বোন নোহর মারা যায় রাত সোয়া ৯টার দিকে। তার শরীরের ৩২ শতাংশ দগ্ধ ছিল বলে জানা যায়।

একই পরিবারের কাউসার খান (৪২), তার স্ত্রী শান্তা বেগম (৩৮), ছেলে ইয়াসিন খান(৫) ও মেয়ে নহর খান (৩) অগ্নিদগ্ধ হন। কাউসার আবুল খায়ের কোম্পানি লিমিটেডের রিভার ট্রান্সপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। কাউসার চাকরি সুবাদে সদর উপজেলার পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকার একটি তিনতলা বাড়ির দুইতলায় স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে ওই ‍দুই শিশুর বাবা কাউছার ও মা শান্তাও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব খান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘দগ্ধ দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকায় ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। শিশুর বাবা কাউছার ও মা শান্তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তারা আইসিইউতে রয়েছে।’

এর আগে ‌বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর এলাকায় একটি ফ্লাটে তিতাস গ্যাসের বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজান অগ্নিদগ্ধ হয়।

মুন্সিগঞ্জ তিতাস গ্যাসের সহকারি কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যতটুকু দেখেছি গ্যাসের লিকেজ থেকে এ ঘটনা ঘটেনি। তবে এমন হতে পারে অসাবধানতাবশত পরিবারটি গ্যাসের চুলা ছেড়ে রেখেই ঘুমিয়ে ছিল। রাতের বেলায় যখন তারা শৌচাগার অথবা অন্য কোনো কারণে বৈদ্যুতিক সুইচ অন করে, সেখান থেকেই আগুন লাগার সূত্রপাত হতে পারে ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গাজীপুরে শ্রমিক অবরোধে আওয়ামী ছায়া; আবারও বন্ধ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

আগুনে ভাইবোনের মৃত্যু, মা-বাবা‘র অবস্থা আশঙ্কাজনক

Update Time : ১২:১২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১

মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলার মুক্তারপুরে ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণে দগ্ধ ভাই-বোন মারা গেছে। ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়। মৃতরা হলো ইয়াছিন (৫) ও নোহর (৩)। তারা আপন ভাই-বোন। রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়। ৭টার দিকে ইয়াছিন মারা যায়। তার শরীরের ৪৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তার বোন নোহর মারা যায় রাত সোয়া ৯টার দিকে। তার শরীরের ৩২ শতাংশ দগ্ধ ছিল বলে জানা যায়।

একই পরিবারের কাউসার খান (৪২), তার স্ত্রী শান্তা বেগম (৩৮), ছেলে ইয়াসিন খান(৫) ও মেয়ে নহর খান (৩) অগ্নিদগ্ধ হন। কাউসার আবুল খায়ের কোম্পানি লিমিটেডের রিভার ট্রান্সপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। কাউসার চাকরি সুবাদে সদর উপজেলার পশ্চিম মুক্তারপুর এলাকার একটি তিনতলা বাড়ির দুইতলায় স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে ওই ‍দুই শিশুর বাবা কাউছার ও মা শান্তাও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব খান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘দগ্ধ দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকায় ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। শিশুর বাবা কাউছার ও মা শান্তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তারা আইসিইউতে রয়েছে।’

এর আগে ‌বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুর এলাকায় একটি ফ্লাটে তিতাস গ্যাসের বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজান অগ্নিদগ্ধ হয়।

মুন্সিগঞ্জ তিতাস গ্যাসের সহকারি কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যতটুকু দেখেছি গ্যাসের লিকেজ থেকে এ ঘটনা ঘটেনি। তবে এমন হতে পারে অসাবধানতাবশত পরিবারটি গ্যাসের চুলা ছেড়ে রেখেই ঘুমিয়ে ছিল। রাতের বেলায় যখন তারা শৌচাগার অথবা অন্য কোনো কারণে বৈদ্যুতিক সুইচ অন করে, সেখান থেকেই আগুন লাগার সূত্রপাত হতে পারে ।