Dhaka ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাধবপুরে শীতে বেড়েছে লেপ তোষকের চাহিদা, ব্যস্ত কারিগররা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১
  • ১৮২ Time View
শীতের আগমনে বার্তায় চা বাগান কোলঘেঁষা হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুরে শীত নিবারণের উপকরণ তৈরির ব্যাস্ততায় ফিরছে লেপ- তোষক কারিগররা। শীত মানেই প্রশান্তির ঘুমের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ঋতু। আর এই শীত জেঁকে বসার আগেই ব্যস্ত সময় পার করছেন এখন লেপ-তোষক তৈরির কারিগররা।এ মাসেই উপজেলায় শীতের আমেজ অনেকটা শুরু হয়েছে।
ভোররাতে হালকা ঠান্ডা আর সকালের মৃদু শীত শীত ভাব বলে দিচ্ছে দরজায় কড়া নাড়ছে শীতের আগমনী বার্তা। সেইসঙ্গে ভোরের মিষ্টি রোদে মাঠের সবুজ ঘাসের গায়ে লেগে থাকা শিশির বিন্দুর ঝলকানি শীতের সকালের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে উপজেলাবাসীকে ছয়ঋতুর বাংলাদেশে শীতের আগমনী বার্তা শীতকালে হওয়ার কথা থাকলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তা ঋতুর সাথে তাল মিলছে না। গ্রাম বাংলায় আজও প্রবাদ আছে আশ্বিনে গা করে শিন-শিন। কিন্তু প্রকৃতির লীলা খেলায় কার্তিক মাসের শেষ ভাগে সকাল হলেই ঘন কুয়াশার আচ্ছন্ন আর শীতের আমেজ দেখা যাচ্ছে। আবার সূর্য ওঠার কয়েক ঘণ্টার পরেই রোদের তাপে শীত কুয়াশা দূর হয়ে গরমে ঘাম ঝরছে এই এলাকার মানুষের।
এদিকে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে প্রায় সারারাত ধরেই মাঝারি ধরনের শীতের কারণে অনেক বাসা-বাড়িতে শীত নিবারণের জন্য হালকা কাঁথা ও কম্বল ব্যবহার শুরু হয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে শিশু ও বৃদ্ধদের শীতজনিত নানা ধরনের রোগের পাদুর্ভাব কিছুটা দেখা দিয়েছে।এদিকে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে প্রায় সারারাত ধরেই মাঝারি ধরনের শীতের কারণে অনেক বাসা-বাড়িতে শীত নিবারণের জন্য হালকা কাঁথা ও কম্বল ব্যবহার শুরু হয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে শিশু ও বৃদ্ধদের শীতজনিত নানা ধরনের রোগের পাদুর্ভাব কিছুটা দেখা দিয়েছে।লেপ তৈরির কারিগররা শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে অর্ডার নিলেও যথা সময়ে সরবরাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে।মাধবপুর  উপজেলা,ধর্মঘর,চৌমুহনী,মনতলা,শাহাজানপুর, জগদীশ,মাধবপুর সদরে লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিত আর কারিগরদের ধুনুক দিয়ে তুলা ফাটানোর সরগরমেই যেন বলে দিচ্ছে লেপ-তোষক তৈরির ধুম পড়েছে।
মাধবপুর উপজেলার পৌরসভা বাজারে লেপ-তোষক ব্যবসায়ী ইকরা এন্ড নিষপা বেডিং ষ্টোর, মোঃ সৈয়দ মিয়া জানান,এ সময়ে অনেকে ক্রেতারা নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের জন্য লেপ-তোষক, বালিশসহ শীতবস্ত্র বানাতে দিচ্ছেন ও অনেকেই আবার বানিয়ে নিয়েছেন। তবে লেপ-তোষক তৈরির কাঁচামাল তুলা ও কাপড়ের দাম একটু বেশি।তিনি আরও বলেন, বাজারে প্রতি কেজি গার্মেন্টস তুলা (সাদা) ৮০ থেকে ১২০ টাকা, গার্মেন্টস তুলা (কালো) ৩০ থেকে ৫০ টাকা, শিমুল তুলা ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা, কার্পাস তুলা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। আরো এক মাধবপুর বাজারে ব্যবসায়ী মোঃ ইলিয়াস মিয়া জানান, এ বছর লেপ-তোষক তৈরিতে গত বছরের চেয়ে দুই থেকে তিনশত টাকা বেশি লাগছে। তাছাড়া একটি তোষক ৮০০ হাজার থেকে ৫ হাজার পাঁচশত টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঢাবি এলাকায় তিন ককটেল বিস্ফোরণ- বিক্ষোভ ছাত্রদলের

মাধবপুরে শীতে বেড়েছে লেপ তোষকের চাহিদা, ব্যস্ত কারিগররা

Update Time : ০৬:১৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১
শীতের আগমনে বার্তায় চা বাগান কোলঘেঁষা হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুরে শীত নিবারণের উপকরণ তৈরির ব্যাস্ততায় ফিরছে লেপ- তোষক কারিগররা। শীত মানেই প্রশান্তির ঘুমের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ঋতু। আর এই শীত জেঁকে বসার আগেই ব্যস্ত সময় পার করছেন এখন লেপ-তোষক তৈরির কারিগররা।এ মাসেই উপজেলায় শীতের আমেজ অনেকটা শুরু হয়েছে।
ভোররাতে হালকা ঠান্ডা আর সকালের মৃদু শীত শীত ভাব বলে দিচ্ছে দরজায় কড়া নাড়ছে শীতের আগমনী বার্তা। সেইসঙ্গে ভোরের মিষ্টি রোদে মাঠের সবুজ ঘাসের গায়ে লেগে থাকা শিশির বিন্দুর ঝলকানি শীতের সকালের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে উপজেলাবাসীকে ছয়ঋতুর বাংলাদেশে শীতের আগমনী বার্তা শীতকালে হওয়ার কথা থাকলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তা ঋতুর সাথে তাল মিলছে না। গ্রাম বাংলায় আজও প্রবাদ আছে আশ্বিনে গা করে শিন-শিন। কিন্তু প্রকৃতির লীলা খেলায় কার্তিক মাসের শেষ ভাগে সকাল হলেই ঘন কুয়াশার আচ্ছন্ন আর শীতের আমেজ দেখা যাচ্ছে। আবার সূর্য ওঠার কয়েক ঘণ্টার পরেই রোদের তাপে শীত কুয়াশা দূর হয়ে গরমে ঘাম ঝরছে এই এলাকার মানুষের।
এদিকে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে প্রায় সারারাত ধরেই মাঝারি ধরনের শীতের কারণে অনেক বাসা-বাড়িতে শীত নিবারণের জন্য হালকা কাঁথা ও কম্বল ব্যবহার শুরু হয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে শিশু ও বৃদ্ধদের শীতজনিত নানা ধরনের রোগের পাদুর্ভাব কিছুটা দেখা দিয়েছে।এদিকে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে প্রায় সারারাত ধরেই মাঝারি ধরনের শীতের কারণে অনেক বাসা-বাড়িতে শীত নিবারণের জন্য হালকা কাঁথা ও কম্বল ব্যবহার শুরু হয়েছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে শিশু ও বৃদ্ধদের শীতজনিত নানা ধরনের রোগের পাদুর্ভাব কিছুটা দেখা দিয়েছে।লেপ তৈরির কারিগররা শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে অর্ডার নিলেও যথা সময়ে সরবরাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে।মাধবপুর  উপজেলা,ধর্মঘর,চৌমুহনী,মনতলা,শাহাজানপুর, জগদীশ,মাধবপুর সদরে লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিত আর কারিগরদের ধুনুক দিয়ে তুলা ফাটানোর সরগরমেই যেন বলে দিচ্ছে লেপ-তোষক তৈরির ধুম পড়েছে।
মাধবপুর উপজেলার পৌরসভা বাজারে লেপ-তোষক ব্যবসায়ী ইকরা এন্ড নিষপা বেডিং ষ্টোর, মোঃ সৈয়দ মিয়া জানান,এ সময়ে অনেকে ক্রেতারা নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের জন্য লেপ-তোষক, বালিশসহ শীতবস্ত্র বানাতে দিচ্ছেন ও অনেকেই আবার বানিয়ে নিয়েছেন। তবে লেপ-তোষক তৈরির কাঁচামাল তুলা ও কাপড়ের দাম একটু বেশি।তিনি আরও বলেন, বাজারে প্রতি কেজি গার্মেন্টস তুলা (সাদা) ৮০ থেকে ১২০ টাকা, গার্মেন্টস তুলা (কালো) ৩০ থেকে ৫০ টাকা, শিমুল তুলা ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা, কার্পাস তুলা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। আরো এক মাধবপুর বাজারে ব্যবসায়ী মোঃ ইলিয়াস মিয়া জানান, এ বছর লেপ-তোষক তৈরিতে গত বছরের চেয়ে দুই থেকে তিনশত টাকা বেশি লাগছে। তাছাড়া একটি তোষক ৮০০ হাজার থেকে ৫ হাজার পাঁচশত টাকায় বিক্রি হচ্ছে।