Dhaka ০৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত বুয়েট শিক্ষক নিখিল রঞ্জন ধর!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১
  • ১৭৩ Time View

সম্প্রতি প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। অনেক আসামিদের ভিড়ে বেরিয়ে এলো নতুন একজনের নাম যিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এর শিক্ষক। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসলো এই শিক্ষকের নাম। আসামিরা জবানবন্দিতে বলেন, কয়েক হাত হয়ে সবশেষে নিখিল রঞ্জন ধর নামে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক শিক্ষক প্রতিবার প্রেস থেকে দুই সেট প্রশ্ন ব্যাগে করে নিয়ে যেতেন।

এ বিষয়ে নিখিল রঞ্জন বলেন, ‘আমি শুধু সেখানে টেকনিক্যাল সাপের্ট দিতাম। প্রশ্ন তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। সে (দেলোয়ার) যা বলছে, এটা ঠিক নয়। আমি বুয়েটের শিক্ষক, আমি কেন প্রশ্ন নিয়ে আসব?’
ডিবির তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা বলেন, ‘তদন্ত করতে গিয়ে অনেকের নামই পাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা যাবে না।’

সূত্র জানায়, সরকারি পাঁচ ব্যাংকে সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করে উত্তর বিক্রির অভিযোগে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক দেলোয়ার হোসেন, পারভেজ মিয়া এবং প্রেসকর্মী রবিউল আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তারা। আশুলিয়ার প্রেস থেকে কর্মী রবিউল প্রশ্ন নিয়ে দেলোয়ারকে দেন। দেলোয়ার সেই প্রশ্ন আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী পারভেজ মিয়া ও মোক্তারুজ্জামান রয়েলকে দিয়েছেন। এর বিনিময়ে এক লাখ টাকা করে পেয়েছেন দেলোয়ার ও রবিউল।

জবানবন্দিতে দেলোয়ারের দাবি, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অল্প টাকায় পরীক্ষার টেন্ডারগুলো আনতেন বুয়েটের শিক্ষক নিখিল রঞ্জন ধর। দেলোয়ারও কয়েকবার নিখিলের ব্যাগে প্রশ্ন দিয়েছেন। তবে ব্যাগে প্রশ্ন নিয়ে নিখিল তা বিক্রি করেছেন কি না, সেটা নিশ্চিত করতে পারেননি দেলোয়ার।

৬ নভেম্বর রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকে অফিসার (ক্যাশ) পদে নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় এক হাজার ৫১১ কর্মকর্তা নিয়োগের জালিয়াতির তথ্য পেয়ে পাঁচ ব্যাংকারসহ আটজনকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। পরীক্ষা বাতিল করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্য আট আসামির মধ্যে তিনজনও আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে স্কুলছাত্র অপহরণ, রাতভর অভিযানে উদ্ধার; গ্রেপ্তার ৫

প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত বুয়েট শিক্ষক নিখিল রঞ্জন ধর!

Update Time : ০২:৫৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ নভেম্বর ২০২১

সম্প্রতি প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। অনেক আসামিদের ভিড়ে বেরিয়ে এলো নতুন একজনের নাম যিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এর শিক্ষক। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসলো এই শিক্ষকের নাম। আসামিরা জবানবন্দিতে বলেন, কয়েক হাত হয়ে সবশেষে নিখিল রঞ্জন ধর নামে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক শিক্ষক প্রতিবার প্রেস থেকে দুই সেট প্রশ্ন ব্যাগে করে নিয়ে যেতেন।

এ বিষয়ে নিখিল রঞ্জন বলেন, ‘আমি শুধু সেখানে টেকনিক্যাল সাপের্ট দিতাম। প্রশ্ন তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। সে (দেলোয়ার) যা বলছে, এটা ঠিক নয়। আমি বুয়েটের শিক্ষক, আমি কেন প্রশ্ন নিয়ে আসব?’
ডিবির তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা বলেন, ‘তদন্ত করতে গিয়ে অনেকের নামই পাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা যাবে না।’

সূত্র জানায়, সরকারি পাঁচ ব্যাংকে সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করে উত্তর বিক্রির অভিযোগে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক দেলোয়ার হোসেন, পারভেজ মিয়া এবং প্রেসকর্মী রবিউল আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তারা। আশুলিয়ার প্রেস থেকে কর্মী রবিউল প্রশ্ন নিয়ে দেলোয়ারকে দেন। দেলোয়ার সেই প্রশ্ন আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী পারভেজ মিয়া ও মোক্তারুজ্জামান রয়েলকে দিয়েছেন। এর বিনিময়ে এক লাখ টাকা করে পেয়েছেন দেলোয়ার ও রবিউল।

জবানবন্দিতে দেলোয়ারের দাবি, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অল্প টাকায় পরীক্ষার টেন্ডারগুলো আনতেন বুয়েটের শিক্ষক নিখিল রঞ্জন ধর। দেলোয়ারও কয়েকবার নিখিলের ব্যাগে প্রশ্ন দিয়েছেন। তবে ব্যাগে প্রশ্ন নিয়ে নিখিল তা বিক্রি করেছেন কি না, সেটা নিশ্চিত করতে পারেননি দেলোয়ার।

৬ নভেম্বর রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকে অফিসার (ক্যাশ) পদে নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় এক হাজার ৫১১ কর্মকর্তা নিয়োগের জালিয়াতির তথ্য পেয়ে পাঁচ ব্যাংকারসহ আটজনকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। পরীক্ষা বাতিল করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্য আট আসামির মধ্যে তিনজনও আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।