Dhaka ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে আমন কাটা ও মাড়াই শুরু করেছেন কৃষক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ নভেম্বর ২০২০
  • ৫১৯ Time View

চলতি আমন মৌসুমে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের প্রায় প্রতিটি উপজেলায় উৎসাহ নিয়ে আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু করেছেন কৃষকরা। ধানের দাম আশানুরূপ হওয়ায় খুশি এখানকার কৃষকরা।

জেলার ৫টি উপজেলার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা তাদের আবাদকৃত ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। এবছর সঠিক সময়ে বৃষ্টি হওয়ায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষকেরা। এজন্য ধানের কাঙ্খিত উৎপাদন হবে বলে তারা ধারণা করছেন। গত বছরের তুলনায় এবার বিঘাপ্রতি পাঁচ থেকে ছয় মণ ধান বেশি হতে পারে বলে কৃষকের আশা।

হাতীবান্ধা উপজেলাধীন পূর্ব নওদাবাস গ্রামের কৃষক নাজমুল ইসলাম বলেন, ধানে কীটনাশক বেশি ব্যবহারের কারণে এবার উৎপাদন খরচ একটু বেশি হয়েছে। বাজারে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে একহাজার নয়শো ৭৫ টাকায়। ফলে ধান বিক্রি করে তাদের উৎপাদন খরচ উঠানোর আশা করছেন তারা। এছাড়াও চলতি মৌসুমে মাঠ থেকে ধান কাঁটা ও মাড়াইয়ের জন্য শ্রমিকদের বিঘাপ্রতি তিন থেকে চার মণ ধান দিতে হবে। এসব খরচ বাদ দিয়েও কিছু লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

আমন ধান চাষী মহির আলী বলেন, ধার-দেনা করে ও বাজার থেকে বাকিতে কীটনাশক নিয়ে জমিতে প্রয়োগ করা হয়েছে। আমন ধান বিক্রি করে দেনা শোধ করার করতে হবে। বাজারে ধানের দাম ঠিক থাকায় দেনা পরিশোধ ও তাদের সংসার পরিচালনা করা সহজ হবে বলে তারা আশা করছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

টঙ্গীতে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

লালমনিরহাটে আমন কাটা ও মাড়াই শুরু করেছেন কৃষক

Update Time : ০১:১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ নভেম্বর ২০২০

চলতি আমন মৌসুমে উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের প্রায় প্রতিটি উপজেলায় উৎসাহ নিয়ে আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু করেছেন কৃষকরা। ধানের দাম আশানুরূপ হওয়ায় খুশি এখানকার কৃষকরা।

জেলার ৫টি উপজেলার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা তাদের আবাদকৃত ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। এবছর সঠিক সময়ে বৃষ্টি হওয়ায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষকেরা। এজন্য ধানের কাঙ্খিত উৎপাদন হবে বলে তারা ধারণা করছেন। গত বছরের তুলনায় এবার বিঘাপ্রতি পাঁচ থেকে ছয় মণ ধান বেশি হতে পারে বলে কৃষকের আশা।

হাতীবান্ধা উপজেলাধীন পূর্ব নওদাবাস গ্রামের কৃষক নাজমুল ইসলাম বলেন, ধানে কীটনাশক বেশি ব্যবহারের কারণে এবার উৎপাদন খরচ একটু বেশি হয়েছে। বাজারে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে একহাজার নয়শো ৭৫ টাকায়। ফলে ধান বিক্রি করে তাদের উৎপাদন খরচ উঠানোর আশা করছেন তারা। এছাড়াও চলতি মৌসুমে মাঠ থেকে ধান কাঁটা ও মাড়াইয়ের জন্য শ্রমিকদের বিঘাপ্রতি তিন থেকে চার মণ ধান দিতে হবে। এসব খরচ বাদ দিয়েও কিছু লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

আমন ধান চাষী মহির আলী বলেন, ধার-দেনা করে ও বাজার থেকে বাকিতে কীটনাশক নিয়ে জমিতে প্রয়োগ করা হয়েছে। আমন ধান বিক্রি করে দেনা শোধ করার করতে হবে। বাজারে ধানের দাম ঠিক থাকায় দেনা পরিশোধ ও তাদের সংসার পরিচালনা করা সহজ হবে বলে তারা আশা করছেন।