Dhaka ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন আজ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:২৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২১
  • ১৬৪ Time View

সাহিত্যের প্রায় সব অঙ্গনে যার বিচরণ। এক কিংবদন্তি নাম। পাঠক মুগ্ধ করার জাদুকর তিনি। নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণেও সফল, ভিন্ন এক ধারার প্রবর্তক। গান লেখাতেও হয়ে আছেন কালজয়ী গীতিকবি। তিনি সবার প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ। জনপ্রিয় এই কথাসাহিত্যিকের আজ ৭৪তম জন্মদিন।

বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করা এই সাহিত্যিক ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। যার ডাক নাম কাজল। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজ। তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।

তার সৃষ্টি- ‘নন্দিত নরকে, লীলাবতী, কবি, শঙ্খনীল কারাগার, গৌরিপুর জংশন, নৃপতি, বহুব্রীহি, এইসব দিনরাত্রি, দারুচিনি দ্বীপ, শুভ্র, নক্ষত্রের রাত, কোথাও কেউ নেই, আগুনের পরশমণি, শ্রাবণ মেঘের দিন, জোছনা ও জননীর গল্প, এমন ঝড় তোলার মতো উপন্যাস উপহার দিয়েছেন আমাদের। তার বইয়ের সংখ্যা ৩শ’রও বেশি।

তার লিখা গানের মধ্যে প্রায় সবগুলোই দর্শক প্রিয়তা পেয়েছে। যারমধ্যে রয়েছে, ‘যদি মন কাঁদে তুমি চলে এসো ’, ‘চাঁদনী পসরে কে’, ‘ও আমার উড়াল পঙ্খীরে’, ’এক যে ছিল সোনার কন্যা’, ‘আমার ভাঙ্গা ঘরে ভাঙ্গা বেড়া ভাঙ্গা চালার ফাঁকে’, ‘চাঁদনী পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়’। যে গানগুলো মানুষের মুখে মুখে।

তার পাওয়া পুরস্কারের তালিকাও দীর্ঘ। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক `একুশে পদক` লাভ করেন। এছাড়া বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮১), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০), লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩ ও ১৯৯৪), বাচসাস পুরস্কার (১৯৮৮) লাভ করেন।

তিনি ৬৪ বছর বয়সে আমাদের ছেড়ে যান ২০১২ সালের ১৯ জুলাই। ২৪ জুলাই নুহাশপল্লীর লিচুতলায় চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গাজীপুরে শ্রমিক অবরোধে আওয়ামী ছায়া; আবারও বন্ধ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন আজ

Update Time : ০৭:২৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২১

সাহিত্যের প্রায় সব অঙ্গনে যার বিচরণ। এক কিংবদন্তি নাম। পাঠক মুগ্ধ করার জাদুকর তিনি। নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণেও সফল, ভিন্ন এক ধারার প্রবর্তক। গান লেখাতেও হয়ে আছেন কালজয়ী গীতিকবি। তিনি সবার প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ। জনপ্রিয় এই কথাসাহিত্যিকের আজ ৭৪তম জন্মদিন।

বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করা এই সাহিত্যিক ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জন্ম গ্রহণ করেন। যার ডাক নাম কাজল। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজ। তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।

তার সৃষ্টি- ‘নন্দিত নরকে, লীলাবতী, কবি, শঙ্খনীল কারাগার, গৌরিপুর জংশন, নৃপতি, বহুব্রীহি, এইসব দিনরাত্রি, দারুচিনি দ্বীপ, শুভ্র, নক্ষত্রের রাত, কোথাও কেউ নেই, আগুনের পরশমণি, শ্রাবণ মেঘের দিন, জোছনা ও জননীর গল্প, এমন ঝড় তোলার মতো উপন্যাস উপহার দিয়েছেন আমাদের। তার বইয়ের সংখ্যা ৩শ’রও বেশি।

তার লিখা গানের মধ্যে প্রায় সবগুলোই দর্শক প্রিয়তা পেয়েছে। যারমধ্যে রয়েছে, ‘যদি মন কাঁদে তুমি চলে এসো ’, ‘চাঁদনী পসরে কে’, ‘ও আমার উড়াল পঙ্খীরে’, ’এক যে ছিল সোনার কন্যা’, ‘আমার ভাঙ্গা ঘরে ভাঙ্গা বেড়া ভাঙ্গা চালার ফাঁকে’, ‘চাঁদনী পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়’। যে গানগুলো মানুষের মুখে মুখে।

তার পাওয়া পুরস্কারের তালিকাও দীর্ঘ। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক `একুশে পদক` লাভ করেন। এছাড়া বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮১), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০), লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩ ও ১৯৯৪), বাচসাস পুরস্কার (১৯৮৮) লাভ করেন।

তিনি ৬৪ বছর বয়সে আমাদের ছেড়ে যান ২০১২ সালের ১৯ জুলাই। ২৪ জুলাই নুহাশপল্লীর লিচুতলায় চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।