Dhaka ০১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবলের ঐক্য, ৩-১ গোলে কালিয়াকৈরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন সিরিরচালা বাঘের বাজার

মাদককে না বলে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে গাজীপুর সদর উপজেলার নয়াপাড়া ভাওয়াল টাইগারস্ ক্লাব মঠে অনুষ্ঠিত হলো জমজমাট ফুটবল টুর্নামেন্ট। ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাব আয়োজিত লক্ষ টাকার ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর মেগা ফাইনালে কালিয়াকৈর ও সিরিরচালা বাঘের বাজার দল মুখোমুখি হয়। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে কালিয়াকৈরকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সিরিরচালা বাঘের বাজার।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত এ ফাইনাল খেলাকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খেলা শুরুর আগেই মাঠের চারপাশ দর্শকে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। মাঠে জায়গা না পেয়ে অনেক দর্শক আশপাশের গাছের ওপর এবং বিভিন্ন ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়ে খেলা উপভোগ করেন। সব মিলিয়ে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশে।

খেলার শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। তবে শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ৩-১ গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নেয় সিরিরচালা বাঘের বাজার। বিজয়ী দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। উদ্বোধন করেন জনাব এ.কে.এম আফজাল-উল মুনীর। বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার জিয়াউল হক জিকু এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ রফিকুজ্জামান ভূঁইয়া।

বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব আবু তাহের মুসল্লী, আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক, আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন রিজভী ও জনাব এম. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের সভাপতি জনাব মোঃ সেলিম ভূঁইয়া। সঞ্চালনায় ছিলেন ক্লাবের সভাপতি জনাব মোঃ লুৎফর রহমান খান এবং সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ আব্দুল হালিম।

এ আয়োজনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা। আয়োজকদের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—‘মাদককে না বলি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি’। পাশাপাশি তাদের আহ্বান—‘মাদককে না বলি, মাদক ছেড়ে সবাই মাঠে চলি’।

খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ ধীরে ধীরে খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদন থেকে দূরে সরে মাদকের ঝুঁকির দিকে ধাবিত হচ্ছে। যে বয়সে তরুণদের মাঠে থাকার কথা, শরীরচর্চা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কথা, সেই বয়সে অনেকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাবে নিজেদের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। এমন বাস্তবতায় তরুণদের আবারও খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনা এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করতেই এ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।

আয়োজকদের এ উদ্যোগ যেন শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি তরুণ সমাজকে সুস্থ বিনোদন, শৃঙ্খলা, সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক জীবনধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার একটি প্রশংসনীয় প্রয়াস।

এত বড় একটি ফুটবল আয়োজন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের আয়োজক কমিটির পরিকল্পনা, আন্তরিকতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় পুরো অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়। মাঠের পরিবেশ, দর্শকদের উপস্থিতি, খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজকদের দক্ষতার পরিচয় পাওয়া গেছে। বিশেষ করে বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতেও খেলার আয়োজন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়া ছিল প্রশংসনীয়।

ফুটবল বাঙালির প্রাণের খেলা। এ খেলার সঙ্গে মিশে আছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য, আবেগ, আনন্দ ও ভালোবাসা। মাঠে একটি গোলের মুহূর্তে হাজারো মানুষের একসঙ্গে উচ্ছ্বাস প্রকাশ যেন বাঙালির চিরচেনা আবেগেরই প্রতিচ্ছবি। ফুটবল মানুষকে একত্রিত করে, পারস্পরিক সম্প্রীতি বাড়ায় এবং তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নরসিংহপুরের এ ফুটবল আয়োজন আবারও প্রমাণ করেছে, মানুষের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা এখনো অটুট। গাছের ডালে কিংবা ভবনের ছাদে বসে খেলা দেখার দৃশ্যও ফুটবলের প্রতি মানুষের ভালোবাসার এক অনন্য চিত্র হয়ে উঠেছে।

মাদক শুধু একজন ব্যক্তির ক্ষতি করে না; এটি একটি পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও বড় হুমকি। মাদকের বিস্তার রোধে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা, পারিবারিক দায়িত্ববোধ এবং তরুণদের জন্য সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা। এ ক্ষেত্রে খেলাধুলা হতে পারে অন্যতম কার্যকর মাধ্যম।

ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাব যে উদ্দেশ্য সামনে রেখে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে তরুণরা মাদক থেকে দূরে থেকে খেলাধুলা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করার অনুপ্রেরণা পাবে।

আয়োজকদের এমন উদ্যোগ শুধু একটি দিনের আনন্দ নয়, বরং একটি সুন্দর, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যাশাকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়াস। সমাজের বিত্তবান, জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়াপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকদেরও এ ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

মাদক নয়, খেলাধুলা হোক তরুণ প্রজন্মের শক্তি। মাঠে ফিরুক তরুণেরা, জেগে উঠুক ক্রীড়ার প্রাণ—গড়ে উঠুক মাদকমুক্ত সুন্দর বাংলাদেশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

‘সিপাহি-জনতা ভাই ভাই’

মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবলের ঐক্য, ৩-১ গোলে কালিয়াকৈরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন সিরিরচালা বাঘের বাজার

Update Time : ০৪:৩১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

মাদককে না বলে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে গাজীপুর সদর উপজেলার নয়াপাড়া ভাওয়াল টাইগারস্ ক্লাব মঠে অনুষ্ঠিত হলো জমজমাট ফুটবল টুর্নামেন্ট। ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাব আয়োজিত লক্ষ টাকার ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর মেগা ফাইনালে কালিয়াকৈর ও সিরিরচালা বাঘের বাজার দল মুখোমুখি হয়। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে কালিয়াকৈরকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সিরিরচালা বাঘের বাজার।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত এ ফাইনাল খেলাকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খেলা শুরুর আগেই মাঠের চারপাশ দর্শকে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। মাঠে জায়গা না পেয়ে অনেক দর্শক আশপাশের গাছের ওপর এবং বিভিন্ন ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়ে খেলা উপভোগ করেন। সব মিলিয়ে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশে।

খেলার শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। তবে শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ৩-১ গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নেয় সিরিরচালা বাঘের বাজার। বিজয়ী দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। উদ্বোধন করেন জনাব এ.কে.এম আফজাল-উল মুনীর। বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার জিয়াউল হক জিকু এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ রফিকুজ্জামান ভূঁইয়া।

বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব আবু তাহের মুসল্লী, আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক, আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন রিজভী ও জনাব এম. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের সভাপতি জনাব মোঃ সেলিম ভূঁইয়া। সঞ্চালনায় ছিলেন ক্লাবের সভাপতি জনাব মোঃ লুৎফর রহমান খান এবং সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ আব্দুল হালিম।

এ আয়োজনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা। আয়োজকদের মূল প্রতিপাদ্য ছিল—‘মাদককে না বলি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি’। পাশাপাশি তাদের আহ্বান—‘মাদককে না বলি, মাদক ছেড়ে সবাই মাঠে চলি’।

খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ ধীরে ধীরে খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদন থেকে দূরে সরে মাদকের ঝুঁকির দিকে ধাবিত হচ্ছে। যে বয়সে তরুণদের মাঠে থাকার কথা, শরীরচর্চা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কথা, সেই বয়সে অনেকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাবে নিজেদের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। এমন বাস্তবতায় তরুণদের আবারও খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনা এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করতেই এ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।

আয়োজকদের এ উদ্যোগ যেন শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি তরুণ সমাজকে সুস্থ বিনোদন, শৃঙ্খলা, সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক জীবনধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার একটি প্রশংসনীয় প্রয়াস।

এত বড় একটি ফুটবল আয়োজন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাবের আয়োজক কমিটির পরিকল্পনা, আন্তরিকতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় পুরো অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়। মাঠের পরিবেশ, দর্শকদের উপস্থিতি, খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজকদের দক্ষতার পরিচয় পাওয়া গেছে। বিশেষ করে বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতেও খেলার আয়োজন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়া ছিল প্রশংসনীয়।

ফুটবল বাঙালির প্রাণের খেলা। এ খেলার সঙ্গে মিশে আছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য, আবেগ, আনন্দ ও ভালোবাসা। মাঠে একটি গোলের মুহূর্তে হাজারো মানুষের একসঙ্গে উচ্ছ্বাস প্রকাশ যেন বাঙালির চিরচেনা আবেগেরই প্রতিচ্ছবি। ফুটবল মানুষকে একত্রিত করে, পারস্পরিক সম্প্রীতি বাড়ায় এবং তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নরসিংহপুরের এ ফুটবল আয়োজন আবারও প্রমাণ করেছে, মানুষের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা এখনো অটুট। গাছের ডালে কিংবা ভবনের ছাদে বসে খেলা দেখার দৃশ্যও ফুটবলের প্রতি মানুষের ভালোবাসার এক অনন্য চিত্র হয়ে উঠেছে।

মাদক শুধু একজন ব্যক্তির ক্ষতি করে না; এটি একটি পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও বড় হুমকি। মাদকের বিস্তার রোধে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা, পারিবারিক দায়িত্ববোধ এবং তরুণদের জন্য সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা। এ ক্ষেত্রে খেলাধুলা হতে পারে অন্যতম কার্যকর মাধ্যম।

ভাওয়াল টাইগার্স ক্লাব যে উদ্দেশ্য সামনে রেখে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে তরুণরা মাদক থেকে দূরে থেকে খেলাধুলা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করার অনুপ্রেরণা পাবে।

আয়োজকদের এমন উদ্যোগ শুধু একটি দিনের আনন্দ নয়, বরং একটি সুন্দর, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যাশাকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়াস। সমাজের বিত্তবান, জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়াপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকদেরও এ ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

মাদক নয়, খেলাধুলা হোক তরুণ প্রজন্মের শক্তি। মাঠে ফিরুক তরুণেরা, জেগে উঠুক ক্রীড়ার প্রাণ—গড়ে উঠুক মাদকমুক্ত সুন্দর বাংলাদেশ।