Dhaka ০৪:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি : প্রথম দিনেই রোপণ ৮ হাজার চারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত “৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচির অংশ হিসেবে শেরপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে জেলা সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ এবং শহরের খোয়ারপাড় মোড় থেকে শেরি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশ, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিমসহ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনজীবী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্কাউট সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া ও অন্যান্য প্রজাতির চারা রোপণ করা হয়। একই দিনে শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রথম দিনেই জেলায় মোট ৮ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শেরপুর সদর উপজেলায় ২,৬০০টি, শ্রীবরদীতে ৩,০০০টি, নকলায় ৪০০টি, ঝিনাইগাতীতে ১,০০০টি এবং নালিতাবাড়ীতে ১,০০০টি চারা রোপণ করা হয়।

ময়মনসিংহ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিম বলেন, “আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শেরপুরের মতো প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যময় জেলায় এটি আরও সবুজায়নে ভূমিকা রাখবে।”

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, “আজ থেকে এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। শুধু জেলা নয়, ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত এ কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে। পুরো জুন মাসজুড়ে বৃক্ষরোপণ চলবে।”

সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেন, “এই উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সবাইকে এতে সম্পৃক্ত হতে হবে।”

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চলবে, যাতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করা যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

জাহেদ উর রহমানকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা: ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব

শেরপুরে ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি : প্রথম দিনেই রোপণ ৮ হাজার চারা

Update Time : ০৫:৫৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত “৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচির অংশ হিসেবে শেরপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে জেলা সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ এবং শহরের খোয়ারপাড় মোড় থেকে শেরি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশ, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিমসহ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনজীবী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্কাউট সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া ও অন্যান্য প্রজাতির চারা রোপণ করা হয়। একই দিনে শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রথম দিনেই জেলায় মোট ৮ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শেরপুর সদর উপজেলায় ২,৬০০টি, শ্রীবরদীতে ৩,০০০টি, নকলায় ৪০০টি, ঝিনাইগাতীতে ১,০০০টি এবং নালিতাবাড়ীতে ১,০০০টি চারা রোপণ করা হয়।

ময়মনসিংহ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিম বলেন, “আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শেরপুরের মতো প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যময় জেলায় এটি আরও সবুজায়নে ভূমিকা রাখবে।”

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, “আজ থেকে এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। শুধু জেলা নয়, ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত এ কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে। পুরো জুন মাসজুড়ে বৃক্ষরোপণ চলবে।”

সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেন, “এই উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সবাইকে এতে সম্পৃক্ত হতে হবে।”

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চলবে, যাতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করা যায়।