প্রকাশিত হলো পূর্ণাঙ্গ হজ রোডম্যাপ, ৮ এপ্রিল শুরু হবে হজ ফ্লাইট
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রী নিবন্ধনের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে হজের বিভিন্ন প্রশাসনিক, আর্থিক ও কারিগরি কার্যক্রমের নির্দিষ্ট সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে প্রকাশিত রোডম্যাপে জানানো হয়, আগামী ৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় হজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এর আগে গত ২৯ মে জেদ্দায় সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়।
ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন। সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হজ রোডম্যাপ তুলে দেন।
প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা প্রদান শুরু হবে। এরপর ৮ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে হজ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৫ মে (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি সরকারের ডিজিটাল হজ ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম “নুসুক মাসার”-এর মাধ্যমে হজ ব্যবস্থাপনার অধিকাংশ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ প্ল্যাটফর্মে সৌদি প্রান্তের খরচ বাবদ অর্থ ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে স্থানান্তরের কার্যক্রম চলবে চলতি বছরের ১৫ জুলাই থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
এছাড়া হজযাত্রীদের জন্য তাঁবু, আবাসন, খাবার, পরিবহন ও অন্যান্য সার্ভিস প্যাকেজ গ্রহণে এজেন্সিগুলোর চুক্তি স্বাক্ষর শুরু হবে ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই এবং তা চলবে ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।
রোডম্যাপে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১৪ আগস্ট থেকে ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে হজযাত্রীদের সব তথ্য নুসুক মাসার সিস্টেমে আপলোড করতে হবে। একইসঙ্গে হজযাত্রী পরিবহনকারী এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন এবং সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টেশনও চলতি বছরের ২৯ জুলাই থেকে ৮ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সি ও অংশীজনদের নির্ধারিত সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা না গেলে হজ ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব হজ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন ও সময়ানুবর্তিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য আগেভাগেই প্রতিটি দেশের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, যাতে হজযাত্রীদের সেবা আরও সহজ, স্বচ্ছ ও সমন্বিত করা যায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক-প্রান্তিক 






















