Dhaka ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৮৯০ কোটি টাকার ১০ প্রকল্পে একনেকের অনুমোদন

অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, সড়ক ও বিদ্যুৎ খাতে বড় বিনিয়োগে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক- প্রান্তিক।

দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, সড়ক যোগাযোগ আধুনিকায়ন এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। মঙ্গলবার (৮ জুন) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন। সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প রয়েছে পাঁচটি, সংশোধিত তিনটি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছে দুটি প্রকল্পের।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রকল্পগুলোর একটি হলো চট্টগ্রামের আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। পর্যটন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ককে প্রশস্ত ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে কক্সবাজার ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের “বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন” প্রকল্প কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এ ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্য খাতে “বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২” অনুমোদনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীকেন্দ্রিক শিশু চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ কমাতে এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা সম্প্রসারণে এ প্রকল্প কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় অনুমোদন দেশের ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলেও মত সংশ্লিষ্টদের।

শিক্ষা খাতে মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে “মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (মেমিস)” প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের প্রকল্পও আবার সংশোধিত আকারে অনুমোদন পেয়েছে। শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে এসব প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের “সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ” প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে ভূমিসেবা আরও সহজ ও আধুনিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে দুর্নীতি, ভোগান্তি ও সেবাজট কমাতে সরকার ডিজিটাল ও সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

এদিকে বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন প্রকল্পের মাধ্যমে জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিল্পাঞ্চল ও নগর এলাকায় বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা মোকাবিলায় এ প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

একনেক সভায় আরও জানানো হয়, পরিকল্পনা মন্ত্রীর ক্ষমতাবলে ইতোমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কেও সভাকে অবহিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, ডাকসেবা সম্প্রসারণ, শিশু বিয়ে প্রতিরোধ প্রকল্প এবং খুলনায় পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন প্রকল্প।

অর্থনীতিবিদদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের উন্নয়ন ব্যয়ে কিছুটা সতর্কতা দেখা গেলেও স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মতো খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিশেষ করে নিজস্ব অর্থায়নের ওপর বেশি নির্ভরশীলতা সরকারের আর্থিক সক্ষমতার একটি বার্তা দিচ্ছে।

তবে উন্নয়ন বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, প্রকল্প অনুমোদনের পাশাপাশি সময়মতো বাস্তবায়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্নীতি রোধই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতে একাধিক প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে। ফলে নতুন অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

৩৮৯০ কোটি টাকার ১০ প্রকল্পে একনেকের অনুমোদন

Update Time : ০৯:০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, সড়ক ও বিদ্যুৎ খাতে বড় বিনিয়োগে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক- প্রান্তিক।

দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, সড়ক যোগাযোগ আধুনিকায়ন এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। মঙ্গলবার (৮ জুন) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন। সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প রয়েছে পাঁচটি, সংশোধিত তিনটি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছে দুটি প্রকল্পের।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রকল্পগুলোর একটি হলো চট্টগ্রামের আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। পর্যটন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ককে প্রশস্ত ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে কক্সবাজার ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের “বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন” প্রকল্প কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এ ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্য খাতে “বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২” অনুমোদনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীকেন্দ্রিক শিশু চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ কমাতে এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা সম্প্রসারণে এ প্রকল্প কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় অনুমোদন দেশের ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলেও মত সংশ্লিষ্টদের।

শিক্ষা খাতে মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে “মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (মেমিস)” প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের প্রকল্পও আবার সংশোধিত আকারে অনুমোদন পেয়েছে। শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে এসব প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের “সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ” প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে ভূমিসেবা আরও সহজ ও আধুনিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসে দুর্নীতি, ভোগান্তি ও সেবাজট কমাতে সরকার ডিজিটাল ও সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

এদিকে বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন প্রকল্পের মাধ্যমে জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিল্পাঞ্চল ও নগর এলাকায় বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা মোকাবিলায় এ প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

একনেক সভায় আরও জানানো হয়, পরিকল্পনা মন্ত্রীর ক্ষমতাবলে ইতোমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কেও সভাকে অবহিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, ডাকসেবা সম্প্রসারণ, শিশু বিয়ে প্রতিরোধ প্রকল্প এবং খুলনায় পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন প্রকল্প।

অর্থনীতিবিদদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের উন্নয়ন ব্যয়ে কিছুটা সতর্কতা দেখা গেলেও স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার মতো খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিশেষ করে নিজস্ব অর্থায়নের ওপর বেশি নির্ভরশীলতা সরকারের আর্থিক সক্ষমতার একটি বার্তা দিচ্ছে।

তবে উন্নয়ন বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, প্রকল্প অনুমোদনের পাশাপাশি সময়মতো বাস্তবায়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্নীতি রোধই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতে একাধিক প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে। ফলে নতুন অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।